বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে টাকার পাহাড়। হাজার হাজার কোটি টাকা পড়ে আছে। ওদিকে সঞ্চয়পত্র কেনার হার বেড়েছে। তার মানে হলো প্রত্যাশিত মাত্রায় বিনিয়োগ বাড়ছে না। শিল্প কলকারখানা কম হচ্ছে। যদিও দেশে একদমই রাজনীতিক অস্থিরতা নেই। শিল্প কলকারখানা গড়ে উঠছে কম। যে কারণে কর্মসংস্থানের সুযোগ কম। বেকাররা যাবে কোথায়? এর পরে মামা-চাচাদের জোর তো আছেই। সরকারি চাকরি কজনই বা পায়? সরকারি নিয়োগেও আছে ব্যাপক দুর্নীতি। দেশে এখন ২৬ লাখ বেকার। এদের সবার বয়স ১৫ বছরের ওপরে। বেকাররা দেশের বোঝা নয়, বরং জনসম্পদ হতে পারে। বেকারদের কাজ দিতে আমরা ব্যর্থ। হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল, পাখি পালন, মাছ চাষ, কুটির শিল্প, ফুল চাষ ইত্যাদি সম্ভাবনাময় সেক্টরে বিনা সুদে ঋণ দিতে হবে। বাজেটে দেশীয় শিল্পখাতে বরাদ্দ বাড়াতে হবে। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের ঋণের সুবিধা এবং তাদের সমস্যা দূর করতে হবে। তাহলেই না দেশ এগিয়ে যাবে। বেকারদের যেন আমরা অভিশাপ মনে না করি। বেকারদের কর্মসংস্থানের জন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ প্রত্যাশা করি। আমরা ব্যাংকে টাকার পাহাড় না জমিয়ে পছন্দের কোনো না কোনো সেক্টরে বিনিয়োগ করতে পারি। এতেই দেশ বেশি উপকৃত হবে।
মুহাম্মদ শফিকুর রহমান, মিরপুর, ঢাকা