গত ৮ অক্টোবর ২০১৮ তারিখে অর্থ মন্ত্রণালয় শতভাগ পেনশন সমর্পণকারীদের অবসর গ্রহণের ১৫ বছর পর পেনশনে পুনঃস্থাপনের সুযোগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেন। কিন্তু প্রজ্ঞাপনে উলেখ নাই বিধায় পুনঃস্থাপিত ব্যক্তির মৃত্যুর পর তাঁর বিধবা স্ত্রী/বিপত্নীক স্বামীকে পেনশন দেওয়া হচ্ছিল না। পেনশন বিধিমালা এবং প্রচলিত নিয়মানুযায়ী একজন পেনশনারের মৃত্যুর পর তাঁর স্ত্রী/স্বামী আজীবন পেনশন পেয়ে থাকেন। বিষয়টি নিয়ে অনেকে লেখালিখি হয়েছে। অবশেষে হিসাব মহানিয়ন্ত্রক গত ১ সেপ্টেম্বর ৫ খানা প্রজ্ঞাপন/নথিপত্রের উলেখ/সংযোজনসহ পত্র দিলে অর্থ বিভাগ এ বিষয়ে সম্মতি জানায়। গত ২৮ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে হিসাব মহানিয়ন্ত্রককে পত্র দিয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও হিসাব রক্ষণ অফিসকে তাদের অধিনস্ত সকল দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানে কপি সরবরাহের জন্য বলা হয়। তদানুযায়ী অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ কর্তৃক রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে উলিখিত পত্রের কপি প্রেরণের কথা। কিন্তু ৮৫ দিনেও ঐ পত্র পৌঁছেনি বলে একাধিক প্রতিষ্ঠান থেকে জানা গেছে। ইতিমধ্যে পেনশনে পুনঃস্থাপনের পর অনেকেই মারা গেছেন, যাঁদের সকলেই ৭৩ ঊর্ধ্ব বয়স্ক ছিলেন। বিধবা/বিপত্নীকদের বয়সও সত্তরোর্ধ্ব। সরকারি প্রজ্ঞাপন/ স্মারকের অপেক্ষায় থেকে থেকে তাঁরাও চলে যাবেন। তাই প্রশ্ন—২৮-১০-২০১৯ তারিখের পত্র আর কতকাল ফাইলবন্দি হয়ে পড়ে থাকবে? লাল ফিতার দৌরাত্ম্য আর কত?
ওয়াহিদুল ইসলাম আখন্দ
৫৭০/১-বি, সেনপাড়া-পর্বতা, ঢাকা ১২১৬