মিশরের মমি নিয়ে হলিউডে বিভিন্ন সময়ে তৈরি হয়েছে চলচ্চিত্র, যেখানে ফুটে উঠেছে পুনরায় জীবন ফিরে পাওয়া মমিদের নিয়ে নানা কল্পকাহিনি। কল্পচিত্রের সেই মমিদের এবার সত্যিই জীবিত করার কাজ শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা! এখন পর্যন্ত মমিদের শরীরে জীবন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে না পারলেও মিশরের ধর্মযাজক এক মমির কণ্ঠে তৈরি করেছেন স্বর। মৃত্যুর প্রায় ৩ হাজার বছর পরে ঐ ধর্মযাজকের কণ্ঠে স্বর তুলে দিতে সমর্থ হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। রয়্যাল হলোওয়ে ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন, ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্ক এবং লিডস মিউজিয়ামের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে ঐ গবেষণা সম্পন্ন হয়, যা গত বৃহস্পতিবার সায়েন্টিফিক রিপোর্টার্স জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে।
থিবসের (আধুনিক মিশরের লুক্সর) আমুন কার্নাক মন্দিরের একজন পুরোহিত ছিলেন নেছায়মুন। ৩ হাজার বছর পরে কৃত্রিমভাবে ঐ মিশরীয় পুরোহিতের গলায় ভোকাল কর্ড (গলার যে অংশ থেকে স্বর বের হয়) বসিয়ে তার কণ্ঠে স্বর তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। তার কণ্ঠ থেকে অনেকটা স্বরবর্ণের মতো শব্দ তৈরি করা হয়। খ্রিষ্টপূর্ব ১০৯৯ থেকে ১০৬৯ সময়ের মধ্যে ফারাও রামেসেস ইলেভেনের রাজত্বের সময় তিনি পুরোহিত ছিলেন।
আরও পড়ুন: ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি নির্বাচন: প্রচারণা শেষ বৃহস্পতিবার
নেছায়মুনের কণ্ঠনালির অনুসরণে তারা থ্রিডি প্রিন্টিং ব্যবহার করে বাগ্যন্ত্র তৈরি করেছেন।
গবেষণাটির সহলেখক ইউনিভার্সিটি অব ইয়র্কের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক জোয়ান ফ্লেচার বলেন, স্বর পুনরায় তৈরির কৌশলটি আমাদের অনেক আগে মৃত্যু হওয়া ব্যক্তিদের কণ্ঠস্বর পুনরায় শোনার সুযোগ করে দিয়েছে।—বিবিসি
ইত্তেফাক/এসি