কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) সংবাদদাতা
“চাউল, ডাইল, তেলসহ দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখাটাই আমরার প্রধান দাবি। যে দলই পাস করইন না কেনে আমরা সাধারণ জনগণ যাতে কম দামে জিনিসপত্র কিনিয়া খাইতাম পারি, ওঠাউ আমরার কথা। এরপরে জ্বালানি তেল, বিদ্যুত্ বিল না বাড়াইয়া, কৃষকদের ধানসহ উত্পাদন সামগ্রীর ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে পারলেউ আমরা কোনমতে খাইয়া বাঁচতাম পারমু।” নির্বাচনী বিষয়ে আলোচনাকালে কথাগুলো বলেন কমলগঞ্জ উপজেলার কালেঙ্গার রিকশাচালক দুলাল মিয়া।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচনে বিএনপি কিংবা আওয়ামী লীগ যে দল বা জোট নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করুক সাধারণ জনগণের জীবন-জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, গ্যাস-বিদ্যুত্ ও জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি না করাই তাদের মূল লক্ষ্য। কৃষকরা ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার কথা বলছেন। বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগকালীন ক্ষতিগ্রস্ত প্রকৃত কৃষকদের চিহ্নিত করে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাজনৈতিক দল সমূহের প্রতি সাধারণ মানুষের আহ্বান। কমলগঞ্জ উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের কৃষক তাহিদ আলী, মানিক মিয়া বলেন, “এখন নির্বাচন নিয়া সব দল ব্যস্ত। আমরা জনগণের জন্য কিতা করবা এসব নিয়া তেমন মাতামাতি নাই। জিনিসপত্রর দাম বাড়ে, তেলের দাম বাড়ে, চাউলর দাম বাড়ে আর আমরা গরিবদের বারোটা বাজে। সরকার আয় আর সরকার যায় আমরা যে অবস্থানে আছি কোন পরিবর্তন নাই। ক্ষেত করিয়া যা আয় অয় তা দিয়া সংসার চালানো কঠিন হইয়া পড়ে। আমরা কৃষকরার বিষয়টি খেয়াল রাখলে আমরাও বাঁচি, দেশও উন্নত অয়।”