করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চট্টগ্রামে প্রস্তুতি গ্রহণ

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে চট্টগ্রামে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে বলা হয়, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে আনুমানিক ২০ হাজার চীনা নাগরিক কর্মসূত্রে বসবাস করছে। এসব চীনা নাগরিক চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল, মিরসরাই ইকোনোমিক জোন, কক্সবাজারের মাতারবাড়ী প্রকল্প, চীনা বিনিয়োগে গড়ে ওঠা তৈরি পোশাক কারখানাগুলোতে কাজ করছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ইপিজেড, কর্ণফুলী ইপিজেড, কম্পোজিট টেক্সটাইল মিল, ওভেন ও নীটওয়্যার শিল্প, সোয়েটার কারখানা, বায়িং হাউজ, মার্চেন্ডাইজিং এবং ফ্যাশন ডিজাইন প্রতিষ্ঠানগুলোতেও কাজ করছে অনেক চীনা নাগরিক। সম্প্রতি চীনে শুরু হওয়া চাইনিজ নিউ ইয়ার উদ্যাপনের জন্য এদের মধ্য থেকে বিপুলসংখ্যক নাগরিক চীন বেড়াতে গেছেন। এসব চীনা নাগরিক বাংলাদেশ তথা চট্টগ্রাম অঞ্চলে ফেরত এলে তাদের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসে এ অঞ্চল সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ধারণা করছে। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সিভিল সার্জনের ব্যবস্থাপনায় সরকারি হাসপাতালগুলোতে পৃথক ওয়ার্ড তৈরির ব্যবস্থা করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেনারেল হাসপাতাল ও ফৌজদারহাট বিআইটিআইডি হাসপাতালে প্রতিটি পাঁচ শয্যার করে পৃথক তিনটি বিশেষায়িত ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে। চট্টগ্রামের সব হাসপাতাল ও উপজেলা হাসপাতালগুলোকেও এ ভাইরাস মোকাবিলায় সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চীন থেকে ফেরত আসা নাগরিকদের যথাযথভাবে স্ক্যানিং করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ করে গত দুই সপ্তাহের মধ্যে যারা চীন থেকে এসেছে তাদের ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।

তবে গতকাল পর্যন্ত চট্টগ্রামে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কোনো রোগী পাওয়া যায়নি বলে সরকারি তথ্যবিবরণীতে জানানো হয়েছে।