ঘিওরে অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদে গিয়ে হামলার শিকার ভ্রাম্যমাণ আদালত

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলায় কালিগঙ্গা নদীতে অবৈধ ড্রেজার উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনার সময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত হয়েছেন চারজন কর্মচারী, ভাঙচুর করা হয়েছে ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় রাতেই ঘিওর থানায় কর্মচারীদের আহত ও  সরকারি কাজে বাধা এবং গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে মামলা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে অবৈধ ড্রেজিং এর খবর পেয়ে ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  আইরিন আক্তার মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে বানিয়াজুরি ইউনিয়নের কেল্লা এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় মো. শরিফ, খোরশেদ আলম, মো. টুটুল, মোহাম্মদ আলী, আব্দুল ওয়াহাব, তাজুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, নোয়াব আলী, মতিয়ার রহমান, মো. শহিদ মিয়াসহ ৫০-৫৫ জন দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা চালায়।

হামলাকারীরা নির্বাহী কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করে এবং তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে। হামলায় উপজেলা তথ্য অফিসের অফিস সহায়ক মো. ফরিদ মিয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের ড্রাইভার এনামুল হক, নৈশ প্রহরী মো. শাহা আলম এবং দপ্তরী শাহা আলম মোল্লা আহত হন। এদের মধ্যে গুরুতর আহত ফরিদ মিয়াকে উন্নত চিকিত্সার জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের ঘিওর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিত্সা দেওয়া হয়। এর আগে উপজেলার বালিয়াখোড়া ইউনিয়নের পাটাইকোনা গ্রামের বিলে ভেকু দিয়ে অবৈধভাবে মাটি খননের দায়ে মো. আলীর স্ত্রী সুলতানা আক্তারকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে দুই মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

ঘিওর থানার ওসি আশরাফুল আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর এ ধরনের হামলা খুবই ন্যক্কারজনক। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।