মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসন এখন প্রচার-প্রচারণায় সরগরম। এ বছর মহিলা ভোটার, সনাতন ধর্ম ও কারিগর সম্প্রদায়ের ভোটারদের কদর একটু বেশি। তবে নারী ভোটারদের কাছে টানতে মহাজোট তথা আওয়ামী লীগ ও ঐক্যফ্রন্টের তথা বিএনপির দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর স্ত্রী তীব্র শীত ও বৈরি আবহাওয়া উপেক্ষা করে ব্যাপক গণসংযোগ করছেন।
শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, আওয়ামী লীগ প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেনের পক্ষে তার স্ত্রী ঝরনা হোসেন ও ঐক্যফ্রন্ট প্রার্থী বিএনপির মো. আবুল কালাম আজাদের পক্ষে তার স্ত্রী ফাতেমা আজাদ গণসংযোগ করে ভোট প্রার্থনা করছেন।
এই আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরা হলেন মহাজোট তথা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন (নৌকা), বিএনপি তথা ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (ধানের শীষ), জাতীয় পার্টির মো. জহিরুল ইসলাম জহির (লাঙ্গল), খেলাফত মজলিসের মাওলনা মো. মুজিবুর রহমান পেশওয়ারী (দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী শাসন আন্দোলনের মো. শাহিনুর ইসলাম (হাতপাখা) এবং প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের প্রার্থী রুপা রায় চৌধুরী (বাঘ)। মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা মো. একাব্বর হোসেন বলেন, আমি সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। দলমত নির্বিশেষ আমি মির্জাপুরের প্রতিটি এলাকায় সুষম উন্নয়ন করেছি। বিশেষ করে বিদ্যুত্ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ব্রিজ, কালভার্ট, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার, মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই উন্নয়ন করা হয়েছে। আমার কাজের মূল্যায়ন করেই নির্বাচনে আমি জনগণের বিপুল ভোটে বিজয়ী হতে পারবো বলে বিশ্বাস। বিজয়ী হলে মির্জাপুরবাসীকে একটি আদর্শ ও মডেল উপজেলা হিসেবে উপহার দিতে পারবো।
মির্জাপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ঐক্যফন্টের তথা বিএনপির প্রার্থী মো. আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী বলেন, এলাকার ভোটাররা নতুন এমপি ও নতুন সরকার চাচ্ছে। আমি শুধু ঐক্যফ্রন্ট ও বিএনপির প্রার্থী নই। আমি এলাকার জনগণের প্রার্থী। জনগণ আমাকে প্রার্থী করেছে। আমার বিশ্বাস জনগণের ভোটে আমি বিপুল ভোট পেয়ে এমপি নির্বাচিত হয়ে মির্জাপুরের সুষম উন্নয়ন করতে পারবো।