চৌমুহনী (নোয়াখালী) সংবাদদাতা
নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) আসনে আটজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকলেও মূলত আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা সীমাবদ্ধ থাকবে। ইতোমধ্যে উভয় দল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে মাঠে নেমে পড়েছে। আওয়ামী লীগ প্রচারণায় সরব হলেও বিএনপি কৌশল অবলম্বন করে নীরবে প্রচারণা চালাচ্ছে। তবে এই দুই দলের প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা হলেন আওয়ামী লীগের কৃষি মন্ত্রণালয় সংসদীয় কমিটির সদস্য মামুনুর রশীদ কিরণ এমপি, বিএনপির দলীয় কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক এমপি বরকত উল্যা বুলু, জাকের পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ বাহার উদ্দিন, জাতীয় পার্টির ফজলে এলাহী সোহাগ, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মজিবুল হক মজিব, গণতন্ত্রী পার্টির মানিক লাল দাস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর মোহাম্মদ নূর উদ্দিন এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের মো. ওমর ফারুক মিয়া।
এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হাই কমান্ডের নির্দেশে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে মাঠে নেমে পড়েছে। ফলে দলীয় ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা চাঙ্গা হয়ে ওঠে এবং দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ শুরু করে। অপরদিকে বিএনপির মধ্যে কিছু কোন্দল থাকলেও দলীয় প্রার্থীর মার্কায়ই ভোট দেয়। তার ওপর রয়েছে জামায়াতের ভোট ব্যাংক। আগে থেকে বিএনপি ও জামায়াত প্রকাশ্যে না থাকলেও নীরবে সব গুছিয়ে রেখেছে। গ্রামে গ্রামে ও বাড়ি বাড়ি বৈঠক করে নেতাকর্মীদেরকে ভোটমুখী করে রেখেছে।
নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মঞ্জুরুল আজীম সুমন জানান, যদিও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। তারপরও নির্বাচনের জন্য আমরা প্রস্তুত রয়েছি। মূলত এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।