ঠাকুরগাঁও-৩ আসন

মহাজোট প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী শরিক দলের প্রার্থীরা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁও-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বেশ জমে উঠেছে। দিনরাত চলছে মাইকযোগে প্রচার-প্রচারণা। গ্রাম-গঞ্জ-শহরের রাস্তাঘাট ছেয়ে গেছে পোস্টারে পোস্টারে। এ আসনে জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও বর্তমান এমপি ইয়াসিন আলী মহাজোট প্রার্থী। তিনি নৌকা প্রতীকে নির্বাচন করছেন।

তবে মহাজোটের প্রধান শরীক আওয়ামী লীগের জেলা সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি ইমদাদুল হক স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মটরগাড়ি প্রতীকে এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও পূজা উদযাপন পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায় সিংহ ট্রতীকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নৌকার বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইমদাদুল হকের সমর্থনে কাজ করছে পীরগঞ্জ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনগুলো এবং রাণীশংকৈল উপজেলার তৃণমূলের বেশির ভাগ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

আর অধ্যক্ষ গোপাল চন্দ্র রায়ের প্রধান শক্তি হচ্ছে পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল উপজেলার পূজা উদযাপন পরিষদের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। এ আসনে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ভোটার অমুসলিম হওয়ায় তিনিও জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। মহাজোটের অন্যতম শরীক জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি ও সাবেক এমপি হাফিজ উদ্দীন আহম্মেদও দলের চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নির্দেশে এ আসনে লাঙ্গল প্রতীকে নির্বাচনী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। প্রচার-প্রচারণায় তার কর্মী বাহিনীর বহর ও বাহার নজর কাড়ার মতো।

তবে ২০ দলের প্রার্থী বিএনপির উপজেলা সভাপতি জাহিদুর রহমান ও তার কর্মী বাহিনী প্রচার-প্রচারণায় যথেষ্ট কৌশলী। তাদের শহরে বিচরণ কম। কিন্তু গ্রামে গ্রামে তাদের উপস্থিতি ও ধানের শীষের প্রতি সহানুভূতি কামনা লক্ষণীয়।

এছাড়াও সিপিবির প্রভাত সমীর শাহজাহান আলম তরুণ সমাজের কাছে পরিচিত মুখ। তিনি কাস্তে প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। ইসলামী আন্দোলনের নাজিম উদ্দীন আহম্মেদ চরমোনাই’র পীর সাহেবের মুরিদদের কর্মী বাহিনী হিসেবে ব্যবহার করছেন। তার প্রতীক হাতপাখা। ন্যাশনাল পিপল্স পার্টির জেলা সভাপতি শাফি আল আসাদ মাইক যোগে ও পোস্টার টাঙিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি লড়ছেন আম মার্কা নিয়ে।