ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি
ঝিনাইদহ জেলায় ৪টি সংসদীয় আসনে প্রচার প্রচারণায় আওয়ামী লীগ এগিয়ে। পিছিয়ে পড়েছে বিএনপি। অবশ্য দলের নেতাকর্মীদের অভিযোগ মামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে আছে তারা। প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে।
একাদশ সংসদ নির্বাচনে ৪টি আসনে ১৮ জন প্রার্থী ছিলেন। এরমধ্যে ঝিনাইদহ-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী আব্দুল মজিদের প্রার্থিতা স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। ঝিনাইদহ-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী মোঃ মতিয়ার রহমানের প্রার্থিতা নিয়েও শঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে ১৭ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।
ঝিনাইদহ-১ আসনে (শৈলকুপা উপজেলা) ভোটযুদ্ধ হবে আওয়ামী লীগের আব্দুল হাই ও বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদের মধ্যে। এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশে’র প্রার্থী আছেন মোঃ রায়হান উদ্দিন। বিএনপি অভিযোগ করে আসছে তাদের প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে মাইক ভাঙা হয়েছে। পোস্টার ছিড়ে ফেলা হচ্ছে।
ঝিনাইদহ-২ আসনে (সদর ও হরিণাকুন্ডু উপজেলা) আব্দুল মজিদের প্রার্থিতা স্থগিতের পর ধানের শীষের প্রার্থী থাকছে না। আওয়ামী লীগের প্রার্থী আছেন তাহজীব আলম সিদ্দিকী সমি। তার কোনো শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী থাকছে না। অপর প্রার্থীরা হচ্ছেন— মোঃ ফকরুল ইসলাম (ইসলাম আন্দোলন ), মোঃ আবু তালেব (জাকের পার্টি) ও মোঃ আসাদুল ইসলাম (বাসদ)।
ঝিনাইদহ-৩ আসনে (কোট চাঁদপুর ও মহেশপুর উপজেলা) ৫ জন প্রার্থী আছেন। দ্বিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগের শফিকুল আজম খান চঞ্চল ও ধানের শীষ প্রতীক জামায়াতের মোঃ মতিয়ার রহমানের মধ্যে। আওয়ামী লীগ তোড়জোড়ের সাথে প্রচারণা চালালেও জামায়াত আন্ডার গ্রাউন্ডে প্রচারণা চালাচ্ছে। অনেক আগে থেকেই তাদের শক্ত অবস্থান আছে এ আসনে। প্রার্থীর বিরুদ্ধে নতুন পুরানো মিলিয়ে দুই ডজনের বেশি নাশকতার মামলা আছে। নির্বাচনী মাঠে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যাচ্ছে না। এ আসনে অপর প্রার্থীরা হচ্ছেন— জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান স্বাধীন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ সারোয়ার হোসেন ও ইসমাইল হোসেন (স্বতন্ত্র)।
ঝিনাইদহ-৪ আসনে (কালীগঞ্জ উপজেলা ও সদর উপজেলার ৪টি ইউনিয়ন) প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে আওয়ামী লীগের আনোয়ারুল আজিম আনার ও বিএনপি’র সাইফুল ইসলাম ফিরোজের মধ্যে। ধুমধামের সাথে প্রচারণা করছে নৌকার প্রার্থী। আর ধীর লয়ে প্রচারণা চলছে বিএনপি প্রার্থীর। এ আসনে অপর প্রার্থী আছেন, এইচ এম মমতাজুর রহমান (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ), মোঃ ইছাহাক আলী (জাকের পার্টি) ও খোন্দাকার মেহেদী হাসান (লিবারেল ডেমোক্রাটিক পার্টি)। এসব প্রার্থীর প্রচারণা নজরে পড়ছে না।