এবারের বইমেলায় প্রকাশ পেয়েছে নীলা হারুনের দুটি মৌলিক বই। একটি ‘মিষ্টান্ন’ অপরটি ‘লাল কম্বল’। লেখক একই হলেও দুটি বইয়ের ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা। ‘মিষ্টান্ন’ বইটি প্রকাশ করছে পরিবার পাবলিকেশন্স এবং প্রচ্ছদ করেছেন আল নোমান। এছাড়া ‘লাল কম্বল’ বইটি প্রকাশ ও সম্পাদনার দায়িত্ব নিয়েছে ঈহা প্রকাশ এবং প্রচ্ছদ করেছেন জাবেদ রাসিন।
‘মিষ্টান্ন’ সম্পর্কে লেখক নীলা হারুন বলেন, ‘মিষ্টান্ন’ একটি পরিপূর্ণ মৌলিক উপন্যাস। ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতবর্ষকে পটভূমি হিসেবে বিবেচনা করে মিষ্টান্ন বিবৃত হয়েছে বাংলার একগ্রাম থেকে কলকাতা ঘেঁষা মফস্বল পর্যন্ত। মিষ্টান্নের প্রতিটি চরিত্রই অতিপ্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। এই বইয়ের ঘটনাবলী সম্পূর্ণ কল্পনাপ্রসূত হলেও পাঠকের কাছে তা অসামঞ্জস্য মনে হবেনা।
তিনি বলেন, এক গ্রাম্যবধূর নারী উদ্যোক্তা হয়ে উঠা এবং ইংরেজের কুটিল মনোভাব ছাড়াও মিষ্টান্নে উঠে এসেছে বাস্তবতা, প্রেম, প্রগতিশীলতা, কুসংস্কার নাটকীয়তা, জীবনের নানারূপ ও আধ্যাত্মবাদ। এক গ্রাম্যবধূর হুট করেই আবিষ্কার করা একটি মিষ্টি স্বাদের খাবারকে কেন্দ্র করে ঘটনা শুরু হলেও তা গড়িয়ে গেছে অপ্রত্যাশিত দিকে। অতিস্বল্প কারণেও মানুষের জীবনের আমূল পরিবর্তনকে ইঙ্গিত করেছে মিষ্টান্ন।
অন্যদিকে ‘লালকম্বল’ বইটি নিয়ে নীলা হারুন বলেন, ‘লালকম্বল’ একটি মৌলিক গল্পগ্রন্থ। বইটিতে থ্রিলার, রহস্য, ফিকশন, নন-ফিকশন- বিভিন্ন ধরনের গল্প আছে। যেসব পাঠকরা ক্রমাগত নতুন ধরনের, নতুন বিষয়ের ও ভিন্ন স্বাদের গল্পের সন্ধানে থাকেন ‘লালকম্বল’ বইটি তাদের জন্য। মানুষের জীবন, বাস্তবতা, ফ্যান্টাসি, উত্তেজনা ছাড়াও লেখকের ব্যক্তিগত উপলব্ধির একটি গল্পও এই বইতে যুক্ত হয়েছে। আর যাইহোক, গল্প প্রেমীদের হতাশ করবেনা ‘লালকম্বল’।
গত মেলার বই ‘অলীকালোকে’র মতই এবারো সচেতনভাবেই স্বতন্ত্র ভঙ্গিতে বই দুটি লিখেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
ইত্তেফাক/বিএএফ