রাজধানীতে মদ্যপানে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় অতিরিক্ত মদ্যপানে গতকাল রবিবার সকালে শামসুল আরেফীন (২৪) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া পৃথক ঘটনায় আরো তিন জনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। তারা হলেন মুগদার রিনাফুল পারভীন (২৭), পল্টনের গৃহকর্মী সাজেদা বেগম (৫৫) ও বাসাবোয় আব্দুল্লাহ নামের এক শিশু। পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে পাঠায়।

শামসুলের চাচা আমিন জানান, শামসুল একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। শনিবার রাতে নারিন্দার মনির হোসেন লেনে নিজ বাসায় অতিরিক্ত মদ্যপান করে শামসুল। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে গতকাল সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিত্সক মৃত ঘোষণা করেন।

এদিকে মুগদা থানার এসআই ফয়সাল মুন্সী জানান, রবিবার ভোরে উত্তর মান্ডা কবিরাজ বাড়ির ৭০ নম্বর বাড়ির তৃতীয় তলার বাসা থেকে রিনাফুলের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। স্বামী ইমন হোসেনের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তিনি আত্মহত্যা করেন বলে ধারণা করা হয়। রিনার বাবার বাড়ি বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার রামপুরা গ্রামে।

পল্টন থানার এসআই শাহিন মিয়া জানান, গতকাল সকালে পুরানা পল্টন লাইনের ১০/৩ নম্বর বাড়ির ৪র্থ তলা থেকে গৃহকর্মী সাজেদার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। তার মানসিক সমস্যা ছিল বলে গৃহকর্তা ফখরুল ইসলাম পুলিশকে জানান। শনিবার রাতের যেকোনো সময় ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন সাজেদা। তার বাড়ি ময়মনসিংহের তারাকান্দায়।

সবুজবাগের বাসাবোর একটি বাসায় বাথরুমের বালতির পানিতে ডুবে আব্দুল্লাহ (১১ মাস) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিত্সক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। আব্দুল্লাহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার ওবায়দুল ইসলামের ছেলে।

চাচা সাজেদুল ইসলাম জানান, তার মা সকালে আব্দুল্লাহকে খেলতে দিয়ে বাসার কাজ করছিল। এই ফাঁকে সে হামাগুড়ি দিয়ে বাথরুমে ঢুকে পানি ভরা বালতিতে ডুবে যায়।