সবজি সংরক্ষণাগার নেই মেডিসিন দিয়ে পাকানো হচ্ছে টম্যাটো!

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা

টম্যাটো শীতকালীন সবজি হলেও নাগরপুরের চরাঞ্চলে এখন শীত থেকে বসন্তকাল পর্যন্ত প্রচুর টম্যাটো উত্পাদিত হয়। কিন্তু এবার ক্রমাগত শৈত্যপ্রবাহে পাকতে দেরি হওয়ায় এবং সবজি সংরক্ষণাগার না থাকায় চাষিরা এখন অধিক মুনাফার আশায় গাছ থেকে কাঁচা টম্যাটো ছিঁড়ে মেডিসিন দিয়ে পাকিয়ে বাজারজাত করছে। উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের বেটুয়াজানী গ্রামের চাষি পাগলা মিয়া বলেন, আমরা এক সময় ধলেশ্বরী নদীর চরাঞ্চলে তামাক চাষ করতাম। কিন্তু এখন উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতা ও পরামর্শে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছি। এর মধ্যে প্রতিবছর টম্যাটোর বাম্পার ফলন পাই। এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চাষি বলেন, দাম কমে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে মেডিসিন দিয়ে টম্যাটো পাকিয়ে বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে। চাষি শহীদুল ইসলাম জানান, এবার ফলন ভালো হলেও শৈত্যপ্রবাহের কারণে টম্যাটো পাকতে দেরি হচ্ছে। তাই ভালো দাম পাওয়া নিয়ে আমরা চিন্তিত। চাষিদের লোকসান ঠেকাতে ও বেশি উত্পাদনের জন্য তার দাবি, উপজেলায় একটি সবজি সংরক্ষণাগারের। নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মতিন বিশ্বাস জানান, কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি কিভাবে মেডিসিন ছাড়া প্রাকৃতিক উপায়ে টম্যাটো পাকানো যায়। এর বাইরে ঢাকা ও টাঙ্গাইলের নিরাপদ সবজি বিক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের কাছে কৃষকদের উত্পাদিত মেডিসিন ছাড়া টম্যাটো সরবরাহের ব্যবস্থা করছি, যাতে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পায়।