কমলগঞ্জ উপজেলায় সরকারি ধান ক্রয়ে দুই খাদ্য গুদামে স্থান সংকুলানের অভাবে হিমশিম খাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। ১ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন ধানের মধ্যে গতকাল মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দুই গুদামে ধান ক্রয় করা হয়েছে ৮১০ মেট্রিক টন। স্থান সংকটের কারণে ধান নিয়ে আসা কৃষকরা পড়েছেন ভোগান্তিতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর থেকে উপজেলার সরকারি খাদ্য গুদামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান ক্রয় শুরু হয়। তবে ভানুগাছ ও শমশের নগর দুই গুদামে চালের মজুত থাকায় কৃষকের কাছ থেকে ক্রয়কৃত ধানের জায়গা সংকুলান নিয়ে বিপাকে পড়েছেন খাদ্য গুদাম কর্মকর্তারা। লটারির মাধ্যমে উপজেলার তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৪০০ কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনা শুরু হয়। সরকার মণপ্রতি ১ হাজার ৪০ টাকা ?মূল্যে ধান ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। দুই গুদামে জায়গা না হওয়ায় কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনার পর সংরক্ষণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে উপজেলার দুই গুদামের আশপাশ এলাকা ধানে ভরে গেছে। কৃষকরা ধান বিক্রির জন্যে ট্রাকে বস্তাভর্তি ধান রেখে বারবার গুদামে ধরনা দিচ্ছেন।
শমশের নগর খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাকির আহমেদ জানান, আর্দ্রতা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা না থাকায় ধান ক্রয়ে কিছুটা ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে। অন্যদিকে দুই গুদামে প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ থাকায় ধান রাখতেও সমস্যা হচ্ছে। গাদাগাদি করে ধান দিয়ে গুদাম ভর্তি করা হয়েছে। এখন কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয়কৃত ধান কোথায় রাখব তা নিয়ে মহাসমস্যায় পড়েছি। মৌলভীবাজার জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা বিপ্লব চন্দ্র দাস বলেন, গুদাম থেকে চাল স্থানান্তরে আবেদন করা হয়েছে। এরই মধ্যে ৩০০ মেট্রিক টন চাল স্থানান্তরের অনুমতি পাওয়া গেছে।