নির্বাচনের দিন যতোই ঘনিয়ে আসছে ততোই জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা। সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত নীলফামারী-৪ আসন। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বড় দুই জোটের প্রার্থীর মধ্যে।
এ আসনে মহাজোট থেকে প্রার্থী হয়েছেন হোসেইন মুহাম্মাদ এরশাদের আপন ভাগিনা নীলফামারী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. আসাদুর রহমান ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা সংসদ সদস্য মেরিনা রহমান দম্পতির ছেলে আহসান আদেলুর রহমান আদেল।
২০০৮ সালের এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন কর্নেল (অবঃ) মারুফ সাকলাইন। ২০১৪ সালে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন জাতীয় পার্টির শওকত চৌধুরী। তাই মহাজোট থেকে হ্যাটট্রিক জয়ের লক্ষে প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে অবিরাম গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন আহসান আদেলুর রহমান আদেল।
এদিকে কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে মহাজোট প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেলকে বিজয়ী করতে প্রতিদিন বিভিন্ন স্থানে পথসভা, উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
আরো পড়ুন: মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি গ্রেফতার
অপরদিকে ২০০১ সালে নীলফামারী ৪ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য এবং বর্তমান পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার প্রার্থী হওয়ায় আসনটি পুনরুদ্ধারে মরিয়া হয়ে সভা সমাবেশ করছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আলম হোসেন বলেন, নীলফামারী ৪ আসনটি জাতীয় পার্টির দুর্গ। এ আসনে মহাজোট থেকে বর্তমানে যাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তিনি অত্যন্ত সৎ এবং মেধাবী। আশা করি এ আসন থেকে মহাজোট প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেল বিপুল ভোটে জয়লাব করবে।
নীলফামারী-৪ আসনের মহাজোট প্রার্থী আহসান আদেলুর রহমান আদেলের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, আমি নীলফামারী-৪ আসন থেকে এমপি নির্বাচিত হয়ে কিশোরগঞ্জ-সৈয়দপুর দুই উপজেলার সকলকে সাথে নিয়ে একটি সুন্দর সমাজ গড়তে চাই। এই এলাকায় নতুন নতুন কলকারখানা করতে চাই যাতে আমার এলাকার কেউ বেকার না থাকে।
বিএনপি তথা ২৩ দলের মনোনীত প্রার্থী আমজাদ হোসেন সরকারের সাথে কথা বলার জন্য একাধিকবার তার মোবাইলে ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
ইত্তেফাক/বিএএফ