আগামিকাল শনিবার দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। ক্ষমতাসীন দল বিজেপির কাছে রীতিমতো আতঙ্ক হয়ে দাঁড়িয়েছে এই নির্বাচন। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দেশজুড়ে আন্দোলনের কারণে বিজেপির ভরাডুবি হবে বলে বিরোধীরা যেভাবে প্রচার চালাচ্ছে, বিজেপির গুরুদায়িত্ব হয়ে পড়েছে সেই কথাকে মিথ্যা প্রমাণ করে দেয়ার। ভরাডুবি হলে বিরোধীদের এবং আন্দোলকারীদের দাবিই সত্যি বলে প্রমাণিত হবে। এছাড়া নাগরিকত্ব আইন মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে বলেও মনে হতে পারে। ফলে চরম সতর্ক অবস্থায় ক্ষমতাসীন দল। তবে নির্বাচন ঘিরে অমিত শাহ ষড়যন্ত্র করছেন বলে মন্তব্য করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল।
ভারতে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে দিল্লির শাহিনবাগে টানা দেড় মাস ধরে বিক্ষোভ চলছে। গত সপ্তাহে কপিল গুজার নামের এক যুবক বিক্ষোভে গুলি করে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। দিল্লি পুলিশ জানায়, কপিল স্বীকার করেছেন যে তিনি আম আদমি পার্টির (এএপি) সদস্য। তবে কপিলের বাবা গাজে সিং দাবি করেছেন, তার ছেলে মোদির সেবক। কেজরিওয়ালের দাবি, তিনি আবারো ক্ষমতায় আসবেন, কংগ্রেসের দাবিও একই রকম। এখন বিজেপির ভাগ্যে কি আছে সেটা দেখার জন্য ১১ ফেব্রুয়ারি ফল প্রকাশ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের দিল্লির ৭০ আসনের বিধানসভা নির্বাচনে ৬৭টি আসন পায় আম আদমি পার্টি। বিজেপি পায় বাকি ৩টি আসন। কংগ্রেস সেবার কোনো আসনই পায়নি। -এনডিটিভি