বিনোদন রিপোর্ট
সৌন্দর্যবিদ কেয়া শেঠকে ঘিরে ছিল পুরো আয়োজনটি। গত বুধবার নিজের প্রতিষ্ঠান কেয়া শেঠ অ্যারোমাথেরাপি প্রাইভেট লিমিটেডে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। আগামী ১২ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি আয়োজন করা হবে বসুন্ধরা বিমস্টেক আয়ুষ ট্রাডিশনাল হেলথ কেয়ার প্রাকৃতিক ও জৈব পণ্য এক্সপো ২০২০। বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ এক্সপোতে ৩ দিনই কেয়া শেঠ উপস্থিত থাকবেন ১০১ ও ১০২ নাম্বার স্টলে। কেয়া শেঠ বলেন, ‘আমার উদ্ভাবিত পণ্য আগে আমরা নিজেরাই ব্যবহার করি। নিজেদের ওপর প্রয়োগ করি। তারপর ভারত সরকারের ড্রাগ কন্ট্রোর বিভাগ থেকে অনুমতি নিয়ে তবেই সাধারণ মানুষের জন্য প্রকাশ করি। সারাবছর ধরে আমার গবেষণাগারে প্রতিটি বিষয়কে আরো উন্নত করার গবেষণা চলছে। বস্তুত এ কারণে আমার প্রতিটি পণ্যের মডেল আমি বা আমার ছেলেমেয়েরা। আসলে আমি নিজে যা উপলদ্ধি করি, যা অনুভব করি তাই প্রকাশ করি।’
নিজের পণ্যের ক্যাম্পেইনের পাশাপাশি বাংলাদেশ নিয়ে তার আবেগের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। কেয়া শেঠ বলেন, ‘আমার জন্ম কলকাতায় বাঙালি পরিবারে, বাঙালি হিসেবেই আমার গর্ব। বিশেষ করে যে দেশের মানুষ মাতৃভাষার জন্য প্রাণ দেন, রাষ্ট্রসংঘে লড়াই করে ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ছিনিয়ে আনেন, তাদের আমি কুর্ণিশ করি, শ্রদ্ধা জানাই। তাই বলতে দ্বিধা নেই, আমার হূদয়ে বাংলাদেশের জন্য রয়েছে অশেষ শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা। বস্তুত এ কারণে এশিয়া মহাদেশের পুরনো চিকিত্সা পদ্ধতি অ্যারেমাথেরাপিকে বাংলাদেশের মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে আপনাদের কাছে এসেছি।’
কেয়া শেঠের এই আয়োজনে উপস্থিত হন দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা জাহিদ হাসান। তিনিও এই সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞের বিভিন্ন পণ্যের গুণাবলি মনোযোগ দিয়ে শোনেন ও কেয়া শেঠের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রসঙ্গত, কেয়া শেষ বর্তমানে অ্যারোমাথেরাপি বিষয়ক ২৪০টি বিভিন্ন অসুখের পণ্য ও সৌন্দর্য বিকাশের পণ্য বাজারজাত করছেন। পাশাপাশি লাইফস্টাইল নিয়ে প্রকাশিত ‘অদ্বিতীয়া’ নামে একটি ম্যাগাজিনেরও সম্পাদক তিনি। ভারতে তিনি দু-বার জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পুরস্কারও রয়েছে তার অর্জনে।