থাই সেনার এলোপাতাড়ি গুলি নিহত ২০

থাইল্যান্ডে এক সেনা সদস্যের এলোপাতাড়ি গুলিতে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছে। গতকাল রাজধানী ব্যাংককের উত্তর-পূর্বে নাখন রাতচাসিমা শহরে এই গুলির ঘটনা ঘটে। কোরাট নামে পরিচিত এই শহরে হামলায় অনেকে আহত হয়েছেন। হামলার সময় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টও দিচ্ছিলেন। খবর বিবিসি  রয়টার্সের

থাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, জাকরাফান্থ থোম্মা নামে সামরিক বাহিনীর ঐ জুনিয়র অফিসার প্রথমে তার কমান্ডিং অফিসারের ওপর হামলা চালিয়ে সামরিক ক্যাম্প থেকে বন্দুক ও বিস্ফোরক  চুরি করেন। এরপর ঐ ব্যক্তি কোরাট শহরের একটি বৌদ্ধ মন্দির এবং একটি শপিং সেন্টারে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। সন্দেহভাজন ঐ ব্যক্তিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সে শপিং সেন্টারের বেসমেন্টে লুকিয়ে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন মুখপাত্র। তাকে খুঁজে বের করতে পুরো শপিং সেন্টারটি চারিদিক থেকে কর্তৃপক্ষ ঘেরাও করে রাখে। ঐ এলাকার আশেপাশের মানুষকে পুলিশ সতর্ক করে বলেছে যেন তারা ঘরের ভেতরে থাকে। শপিং সেন্টারের কাছে গোলাগুলির দৃশ্য গতকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়।

স্থানীয় মিডিয়ার ফুটেজে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি জিপের মতো একটি গাড়ি থেকে মুয়াং জেলার টার্মিনাল ২১ শপিং সেন্টারের সামনে নামেন এবং এলোপাতাড়ি গুলি চালান। এ সময় আশেপাশের লোকজন প্রাণ বাঁচাতে পালাতে থাকে। অন্য আরেকটি ফুটেজে দেখা গেছে ভবনের বাইরে আগুন জ্বলছে। গোলাগুলির কারণে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এই আগুন ধরেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডেইলি মেইল জানায়, গুলির সময় হামলাকারী ঘটনাটি ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার করছিলেন। সামরিক পোশাক ও মাথায় একটি হেলমেটও ছিলো। পেজটি পরে বন্ধ করে দেয় ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। হামলা শেষে সেনা সদস্য ফেসবুকে লিখেন, দুর্ভাগ্য তোমাদের। আমার কি হাল ছেড়ে দেয়া উচিত? গুলি করতে করতে আমি ক্লান্ত। আঙ্গুল নাড়াতে পারছি না।