একটি ব্রিজের অভাবে ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে যাতায়াত শিক্ষার্থীদের!

তালা (সাতক্ষীরা) সংবাদদাতা

তালায় একটি ব্রিজের অভাবে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে যাতায়াত করে শিক্ষার্থীসহ জনসাধারণ। উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়ানীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং দেওয়ানীপাড়া দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে আসা-যাওয়া নিত্যদিনের ব্যাপার।

এছাড়া খরাইল, ভবানীপুর, কাজীডাঙ্গা ও উত্তরঘোনাসহ কয়েকটি গ্রামের শত শত মানুষ ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করে এ বাঁশের সাঁকোর ওপর দিয়ে। এছাড়া বর্ষা মৌসুমে এলাকাটি জলাবদ্ধতায় নিমজ্জিত হয়ে রাস্তাঘাট পানির নিচে তলিয়ে যায়। তখন মানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়। ভুক্তভোগীরা একটি ব্রিজের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আবেদন করলেও আজ পর্যন্ত তা বরাদ্দ হয়নি। এলাকাবাসী জানায়, দেওয়ানীপাড়া গ্রামের তিনটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ একটি বাজার আছে। যেখানে সকাল-বিকাল বাজার করতে আসা শত শত মানুষের দুর্ভোগ। ১৯৯৫ সালে বাঁশের সাঁকোটি স্থানীয় জনগণ তৈরি করার পর অদ্যাবধি চলছে। বর্তমানে খালের উপর একটি বেইলি ব্রিজ নির্মাণ এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবিতে পরিণত হয়েছে। সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হুমায়ুন কবির খান বলেন, স্কুলটি উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের সীমানায় অবস্থিত। স্কুলের শিক্ষার্থীদের অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী হতদরিদ্র, অবহেলিত ও অন্তজ সম্প্রদায়ের। স্কুলে যাতায়াত করতে এসব শিক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সেকেন্দার আলী মোড়ল জানান, প্রায় ২৩ বছর আগে কোমলমতি শিশুদের স্কুলে যাতায়াতের জন্য আমার জমির উপর দিয়ে বাঁশের সাঁকোটি তৈরি করা হয়েছিল। সাঁকোটি এখনও সেই অবস্থায় আছে, তবে মাঝে-মধ্যে  স্বেচ্ছাশ্রমে এটা সংস্কার করা হয়।

 তেঁতুলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান  মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলের শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর কষ্ট লাঘব করতে একটি ব্রিজ নির্মাণ খুব জরুরি। ইতিমধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি সরেজমিনে দেখে গেছেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরেও আবেদন করা হয়েছে।