২০১৯ সালে চকবাজারের চুরিহাট্টা, ভাষানটেক বস্তি, বনানীর এফ আর টাওয়ার, কেরানীগঞ্জের প্লাস্টিক কারখানা এবং গাজীপুরের ফ্যান তৈরি কারখানার আগুনের ঘটনা বিষাদময় করেছে সবাইকে। বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের তথ্যমতে, ২০১৯ সালে ছোটো-বড়ো মিলিয়ে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে মোট ২৪ হাজার ৭৪টি। এতে মৃত্যু হয়েছে ১৮৫ জনের, আর আহত হয়েছে ৫৮৬ জন। সম্পদহানি হয়েছে ৩৩০ কোটি ৪১ লাখ ২৮ হাজার ৭৪৪ টাকার। মানবসম্পদ ও অর্থসম্পদের এই বিশাল ক্ষতি অপূরণীয়। গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ইন্টারন্যাশনাল ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো-ইফসি-২০২০ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘ইলেকট্রনিকস সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ইসাব’ এসব তথ্য তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন বলেন, ‘অপরিকল্পিত ও অঅনুমোদিত ভবনের কারণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বেশি ঘটে। এরজন্য রাজউকের সঙ্গে একটা সমন্বয় করার চেষ্টা করছি। যাতে কোনোভাবে বিল্ডিং কোড ছাড়া ভবন নির্মাণ না হয়।
ইসাবের উদ্যোগে এ বছর সপ্তমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এক্সপো-ইফসি-২০২০। যা আগামী ১৩ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। এক্সপোতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইতালি, তাইওয়ান, তুরস্ক, ইউএই, পর্তুগাল, স্পেন, পোল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ভারতসহ ২৫টি দেশের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ফায়ার সেফটি অ্যান্ড সিকিউরিটি সরঞ্জাম পণ্য প্রদর্শন করা হবে। এক্সপোতে মোট স্টল থাকবে ৭৫টি।
এই এক্সপোতে দর্শনার্থীরা নাম রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে কোনো ধরনের ফি ছাড়াই প্রদর্শনীতে অংশ নিতে পারবেন। এর মাধ্যমে আমরা অগ্নি নিরাপত্তা বিষয়ে সামাজিক সচেতনতা তৈরির প্রচেষ্টা করছি, যা আগামী দিনে অব্যাহত থাকবে।