বিলম্বিত ফ্লাইটে আবাহনীর মালদ্বীপ যাত্রা

স্পোর্টস রিপোর্টার

বিকালে ফ্লাইট বলে সবচেয়ে খুশি আবাহনীর উইংব্যাক রায়হান হাসান। সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারেন না রায়হান। বলছিলেন, ‘ভাই সকালে ঘুম থেকে উঠা অনেক কষ্ট। বিকালের ফ্লাইট হলে আরামে যাওয়া যায়। কিন্তু সেই আরামটাও স্বচ্ছন্দে হলো না। দেড় ঘণ্টা বিমানবন্দরে অপেক্ষা করতে হলো। সবুজ সংকেত পেয়ে বিমান উড়ল আবাহনীকে নিয়ে, মালদ্বীপের মালেতে। এএফসি কাপের ফিরতি ম্যাচ খেলতে গতকাল মালদ্বীপে উড়াল দেয় আবাহনী। ১২ ফেব্রুয়ারি আবাহনীর খেলা, মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশনের বিপক্ষে। ম্যাচ জেতার সংকল্প নিয়ে গেলেও আছে আশঙ্কা। রক্ষণভাগে রায়হান থাকলেও আশঙ্কা হচ্ছে টুটুল হোসেন বাদশা এখনো অসুস্থ। পুরোপুরি সুস্থ না হলেও তাকে দলের সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। টুটুল হোসেন বাদশাকে দরকার আবাহনীর। কোচ মারিও লেমস মালদ্বীপে যাওয়ার আগের দিন অনুশীলনে বলছিলেন টুটুলকে তার দরকার। নাসির থাকলেও টুটুল বেশি কার্যকর। একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘টুটুলের বয়স ২৪। এখনো তরুণ। তার কাছ থেকে পাওয়া কিছু আছে। কিন্তু অভিজ্ঞ নাসির চৌধুরীর একটু বয়স হয়েছে। সময়টাকে মানতে হবে।’

ব্রাজিলিয়ান মেইলসন আবাহনীর রক্ষণে আস্থার প্রতীক হতে পারেননি। সেটা পাঁচ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় হোম ম্যাচে দেখা গেছে। দুই গোল হজম করার পেছনে রক্ষণকেই দায়ী করছেন। যদিও এ মেইলসনই দারুণ একটা গোল করেছেন মাজিয়ার জালে। তার পরও ম্যাচটা ২-২ গোলে ড্র হওয়ায় বেঁচে গেছে হার থেকে। এই মেইলসনই এবার মালদ্বীপে না যাওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন। ইনজুরির কারণ দেখিয়ে না যাওয়ার চেষ্ট বৃথা গেছে তার।

২০ জন ফুটবলার গেছেন মালদ্বীপে। শপথ করেছেন জয় নিয়ে  ফেরবেন। জিতলে পরবর্তী রাউন্ড, না জিতলে বিদায়। তারপর লিগের অভিযান শুরু হবে।