ব্যবসায়ে করোনা ভাইরাসের প্রভাব জানাতে এফবিসিসিআইয়ের চিঠি

ইত্তেফাক রিপোর্ট

চীনে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে ব্যবসা বাণিজ্যে বড়ো ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে সরকারি পর্যায়েও উদ্বেগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো এখনো ক্ষতির বিষয়টি নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানায়নি। ব্যবসা বানিজ্য তথা ভোগ্যপণ্যের বাজার পরিস্থিতির উপর এ ভাইরাসের কী ধরনের  প্রভাব ফেলতে পারে—তা জানাতে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোকে চিঠি পাঠিয়েছে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই। গত শনিবার এফবিসিসিআই সদস্যভুক্ত চার শতাধিক সংগঠন ও চেম্বারকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। আগামীকাল বুধবারের মধ্যে সংগঠনগুলোকে এ বিষয়ে জানাতে বলা হয়েছে। চিঠিতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রবমূল্য পরিস্থিতি, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে তা জানাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে শিল্প উত্পাদনের সঙ্গে জড়িত শিল্পের মৌলিক কাঁচামাল, মধ্যবর্তী কাঁচামাল ও পণ্য আমদানি এবং সেবা খাতে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে তাও জানাতে বলা হয়েছে।

সূত্র জানিয়েছে, এর আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ব্যবসা-বাণিজ্যে করোনা ভাইরাসের ক্ষতির প্রভাবের বিষয়টি আলোচনায় আসে। ঐ সভায় এ ভাইরাসের প্রভাব সম্পর্কে জানাতে এফবিসিসিআইকে অনুরোধ জানানো হয়। এজন্য তিন কার্যদিবস সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়। এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি সিদ্দিকুর রহমান ইত্তেফাককে বলেন, আমরা সদস্যভুক্ত সংগঠনগুলোকে এ ভাইরাসের ক্ষতির বিষয়টি জানাতে গত শনিবারই চিঠি পাঠিয়েছি। তারা আবার সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে এসব তথ্য নেবে। ঐসব তথ্য সংগ্রহ করে আমাদের কাছে পাঠানোর পর তা সমন্বিত করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ফলে তিন দিনের মধ্যে এসব তথ্য পাঠানো কার্যত অসম্ভব। যোগাযোগ করে জানা গেছে, এফবিসিসিআইয়ের পাঠানো চিঠি এখনো অনেক সংগঠনের কাছে পৌঁছায়নি। বাংলাদেশ চায়না চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিসিআই) সহসভাপতি এটিএম আজিজুল আকিল ইত্তেফাককে বলেন, আমরা এ ধরনের চিঠি এখনো পাইনি। এফবিসিসিআইয়ের একজন সিনিয়র নেতা ইত্তেফাককে বলেন, তিন দিনের মধ্যে এসব তথ্য পাঠানোর সময়সীমা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বেঁধে দেওয়া বাস্তবসম্মত হয়নি। তবে তথ্য আসার পর শিগিগরই আমরা মন্ত্রণালয়ে পাঠাব।