এ বছর ২০ ভাগ বেশি পেঁয়াজ উত্পাদনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ------------বাণিজ্যমন্ত্রী

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনিশ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে খুনিরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে থমকে দিয়ে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে পরাজিত দেশটি (পাকিস্তান) থেকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন সব সূচকে। তিনি বলেন, হঠাত্ করেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় দেশে পেঁয়াজের সংকট হয়েছিল। আমরা দ্রুত পেঁয়াজ আমদানি করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করি। এ বছর অন্তত ২০ ভাগ বেশি পেঁয়াজ উত্পাদনের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। প্রথমে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এবং পরে ডেপুটি স্পিকার অ্যাডভোকেট ফজলে রাব্বী মিয়া অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন, সরকারি দলের অসীম কুমার উকিল, মনোয়ার হোসেন চৌধুরী, নূর মোহাম্মদ, জয়া সেনগুপ্তা, মোছলেম উদ্দিন আহমদ, শাহে আলম, কাজিম উদ্দিন ফিরোজ ও জুয়েল আরেং।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত পথেই বাংলাদেশ সবদিক থেকে দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরো বলেন, জনগণের ট্যাক্সের টাকার অধিকতর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। চলমান অভিযান অব্যাহত রাখলে অসত্ ব্যক্তি ও কালো টাকার মালিকরা রেহাই পাবে না।

আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল বলেন, অতীত সরকার প্রধানরা ক্ষমতায় থেকে নিজেদের ভাগ্য গড়েছেন, তাদের দুর্নীতি সারাবিশ্বে প্রমাণিত। কিন্তু ব্যতিক্রম বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা। তাকে সামান্যতম কোনো দুর্নীতি স্পর্শ করতে পারেনি।

নূর মোহাম্মদ বলেন, অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে স্থিতিশীল আইনশৃঙ্খলা। পুলিশ বাহিনীতে নিয়োগ, পদোন্নতি, পদায়নে পেশাদারিত্ব ও স্বচ্ছতা আনলে তারা জনগণের বিশ্বাস ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠবে।