যুুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের ভোট না দিতে রাজপথে তরুণরা

আগামী ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের ভোট না দেওয়ার আবেদন নিয়ে মাঠে নেমেছেন তরুণরা। ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণ প্রজন্ম’ ব্যানারে গতকাল রবিবার জাতীয় প্রেসক্লাব, শাহবাগ মোড়, সংসদ ভবন এলাকা, ফার্মগেট, যাত্রাবাড়ি, উত্তরাসহ নগরীর ৭৭টি স্থানে একযোগে মানববন্ধন ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এসময় জাতীয় নির্বাচনে প্রথম ভোট দিতে যাওয়া নতুন প্রজন্ম ভোটারদের প্রতি এ আবেদন জানানো হয়। একই সঙ্গে তারা দেশে শান্তি, উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখতে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে ভোট দিতে রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। 

তরুণ প্রজন্মের লিফলেটে বলা হয়েছে-‘মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলাম থেকে ২২ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়ন প্রাপ্তদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও অভিযুক্ত পরিবার থেকে প্রার্থী রয়েছেন ১০ জন। যা আমাদের ব্যথিত করে।’ এতে আরো বলা হয়, আমরা ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বে থাকা ড. কামাল হোসেন ও আ স ম আব্দুর রবদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ বলে জানতাম। সেই জায়গা থেকে আমরা ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণ প্রজন্ম’র একটি প্রতিনিধি দল ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে দেখা করি। আমাদের আবেদনের মধ্যে ছিল জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ নিয়ে সুনির্দিষ্ট ঘোষণা, জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতাকারীদের সঙ্গ ত্যাগ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারীদের সঙ্গ ত্যাগ। অথচ আবেদনসমূহের বিষয়ে অবগত হওয়ার পর ড. কামাল হোসেন ব্যস্ততার অজুহাত দেখিয়ে পরবর্তীতে আমাদের সাথে কথা বলবেন বলে জানান। কিন্তু পরবর্তীতে আমাদের সাথে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি। সংগঠনের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সংগঠনের প্রধান সমন্বয়ক মাজহারুল কবির শয়ন বক্তব্য রাখেন। এ সময় সংগঠনের সদস্য সাব্বির হোসেন, মিমু দাস প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।