কাশ্মীর প্রশাসনকে নোটিশ
সুপ্রিম কোর্টের
জন নিরাপত্তা আইন (পিএসএ)-এ কেন বন্দি জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা, তা নিয়ে জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনের জবাবদিহি চায় সুপ্রিম কোর্ট। ওমরের বোন সারা আবদুল্লা পাইলটের আবেদনের ভিত্তিতে শুক্রবার রাজ্য প্রশাসনকে নোটিশ দিলো শীর্ষ আদালত। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতে হবে। যদিও এই আইনের আওতায় ওমরের বন্দিত্ব বৈধ কি না, তা বিবেচনা করে দেখবে সুপ্রিম কোর্ট।—আনন্দবাজার পত্রিকা
এদিন সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি অরুণ মিশ্রের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চে সারার আবেদনের শুনানি হয়। শুনানির পর জম্মু ও কাশ্মীর প্রশাসনকে নোটিশ পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। আগামী ২ মার্চ ফের এই মামলার শুনানি। যদিও সারার আইনজীবী কপিল সিব্বলের অনুরোধ ছিল, আগামী মাসের আগেই এই মামলার পরবর্তী শুনানি হোক। তবে সেই আর্জি খারিজ করে আগামী মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি ধার্য করেছে শীর্ষ আদালত। এ দিনের শুনানির পর ওমরের বোন সারা বলেন,“আশা করছি, অতি শিগগিরই (ওমরের) মুক্তি হবে। বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।”
গত বছরের ৫ আগস্ট সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ রদ করে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর থেকেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা, ফারুক আবদুল্লা, মেহবুবা মুফতিসহ একাধিক রাজনীতিককে আটক করা হয়েছিল। সে সময় থেকেই গৃহবন্দি ওমর। গত সপ্তাহে ওমর ও মেহবুবার বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনও প্রয়োগ করা হয়। ঐ আইনবলে যে কোনো ব্যক্তিকে বিনাবিচারে তিন থেকে ছয় বছর আটক করে রাখা যাবে। ওমরের বিরুদ্ধে অভিযোগ : কাশ্মীরে জঙ্গি কার্যকলাপ তুঙ্গে থাকাকালীন এবং জঙ্গিদের ভোট বয়কটের ডাকের মধ্যেও নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আমজনতাকে টেনে আনার ক্ষমতা ছিল তার।