রাজধানীর দক্ষিণখান থানার কেসি স্কুলের পেছনে একটি বাড়ি থেকে দুই শিশুসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতরা হলেন—মা মুন্নি (৩৮), ছেলে ফারহান (১১), মেয়ে লাইভা (৩)। গতকাল শুক্রবার আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে দক্ষিণখান থানা পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, মাসহ তিন জনকেই তিন থেকে চার দিন আগে হত্যা করা হয়েছে। পরে ঘাতক তাদের লাশ রুমের মধ্যে রেখে পালিয়ে গেছে। তবে কে বা কারা তাদের হত্যা করেছে এ ব্যাপারে পুলিশ গত রাত পর্যন্ত নিশ্চিত হতে পারেনি।
জানা গেছে, নিহত মুন্নি বেগমের স্বামীর (গৃহকর্তা) নাম রকিব উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের ভাতসালায়। তিনি পেশায় টিঅ্যান্ডটির উপসহকারী প্রকৌশলী। দক্ষিণখান থানা পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ৮৩৮ নম্বর প্রেমবাগান রোডের পাঁচতলা ভবনের চতুর্থতলার বাসা থেকে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসাটি বাইরে থেকে দরজা বন্ধ পায়। পরে তালা ভেঙে তাদের লাশ উদ্ধার করে। থানা পুলিশ আরো জানায়, এঘটনার পর থেকে গৃহকর্তা পলাতক রয়েছে। ঘটনাস্থলে আলামত সংগ্রহে কাজ করছে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের দক্ষিণখান জোনের এডিসি হাফিজুর রহমান রিয়েল বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে দুর্গন্ধযুক্ত মরদেহ। দুর্গন্ধ পাওয়ার পর স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। তিন জনই হত্যার শিকার বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বাসাটির প্রধান দরজা বাইরে থেকে আটকানো দেখা গেছে। মুন্নির শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী রকিব উদ্দিন ভূঁইয়া লিটন পলাতক। তার খোঁজে অনুসন্ধান চলছে। তিন হত্যায় পুলিশের সন্দেহভাজনদের খোঁজ করা হচ্ছে।