মার্কিন বিচার বিভাগের প্রসিকিউটর ও মামলা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইট নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইট তার কাজের ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে। প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অ্যাটর্নি জেনারেলের এই ধরনের মন্তব্য বিরল। এদিকে নিজের আইনজীবী রুডি গিউলিয়ানিকে ইউক্রেনে পাঠিয়েছিলেন বলে স্বীকার করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। খবর সিএনএন ও আল-জাজিরার
এবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বার বলেছেন, বিচার বিভাগ নিয়ে এভাবে প্রেসিডেন্ট টুইট করলে তার সেখানে কাজ করাটা অসম্ভব হয়ে পড়বে। তিনি বলেছেন, আমি আনন্দিত যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফৌজদারি অপরাধ নিয়ে আমাকে কিছু করতে বলেননি। তবে বিচার বিভাগের পুরুষ, নারী কিংবা চলমান মামলা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের টুইট কিংবা প্রকাশে মন্তব্য আমাকে সেখানে কাজ করতে বাধার সৃষ্টি করছে। কারণ আমরা কাজ করি সততার সঙ্গে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাবেক মিত্র রজার স্টোন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের তদন্তে কংগ্রেসকে মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন অভিযোগ রয়েছে। আগামী সপ্তাহে তার বিরুদ্ধে রায় দিতে পারে আদালত। ইতিমধ্যে প্রসিকিউটররা তাকে সাত থেকে নয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার সুপারিশ করেছেন। টুইটার বার্তায় তাদের এই সুপারিশের কঠোর সমালোচনা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ নিয়ে বিচার বিভাগে কিছুটা হলেও চাপের মুখে পড়েন উইলিয়াম বার। এরপরই তার এই মন্তব্য আসলো। বিরোধী ডেমোক্র্যাটরাও বারের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছেন।
এদিকে অভিশংসনের তদন্ত থেকে মুক্তি পাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বীকার করেছেন যে, তিনি তার অ্যাটর্নি রুডি গিউলিয়ানিকে ইউক্রেনে পাঠিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল, আগামী নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সম্পর্কে কোনো নেতিবাচক তথ্য সংগ্রহ করা। যদিও অভিশংসনের আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন।