সিদ্ধিরগঞ্জের পদ্মা ডিপোর নিজস্ব রাস্তার দুপাশে চোরাই তেল কেনার জন্য গড়ে উঠেছে অন্তত অর্ধশতাধিক তেলের দোকান। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ থাকার পরেও রহস্যজনক কারণে বন্ধ হচ্ছে না চোরাই তেলের দোকানগুলো। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিদিন এ দোকানগুলোতে কয়েক হাজার লিটার চোরাই তেল বিক্রি করছে ডিপোর ইনচার্জের সহায়তায় ট্যাংকলরির চালকরা। সরকার হারাচ্ছে রাজস্ব।
জানা যায় কিছুদিন আগে দুদকের কর্মকর্তারা এসে পদ্মা ডিপোর ইনচার্জ মাহাবুবুল আলমকে রাস্তার দুপাশে গড়ে ওঠা অর্ধশতাধিক তেলের দোকান বন্ধ করতে বলে যান। কিন্তু রহস্যজনক কারণে ডিপোর ইনচার্জ মাহাবুবুল আলম এখন পর্যন্ত এ চোরাই তেলের দোকান বন্ধ করছে না। এ ব্যাপারে মাহাবুবুল আলম বলেন,‘অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানগুলো আমাদের জায়গায় নয়। এ দোকানগুলো উচ্ছেদ করতে ডিসি বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে। তিনি ম্যাজিস্ট্রেট দিলে আমরা প্রশাসনের সহায়তায় বন্ধ করে দেব।
এ ব্যাপারে পদ্মা ডিপোর ঢাকা বিভাগের (এজিএম) ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, সিস্টেম লসের বিষয়টি আমার জানা নেই, আপনি ডিপোর ম্যানেজারকে জিজ্ঞাসা করুন, বিষয়টি তারাই জানেন। এ ব্যাপারে র্যাব-১১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিমউদ্দিন বলেন, ‘আমরা এ যাবত্ তেল চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে দুই ডজনেরও বেশি মামলা দিয়েছি। কারো কারো নামে দু-তিনটি মামলা আছে। ডিপো প্রশাসন আমাদেরকেও চিঠি দিয়েছে। চোরাই তেলের দোকান বন্ধের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করলে আমরা তাদের সহায়তা করব।