স্পোর্টস রিপোর্টার
এএফসি কাপ ফুটবলের গত দুটি আসরে আবাহনীর পারফরম্যান্স নজর কেড়েছিল। ভালো খেলা উপহার দিয়েছিল। কিন্তু এবার আবাহনীর সেই পারফরম্যান্স চোখে পড়েনি। এএফসি কাপ ফুটবলে আবাহনীকে খেলতে হয়েছিল গ্রুপ পর্ব হতে দুই ধাপ পেছনে। দুই ধাপ পার হয়ে যেতে পারলে গ্রুপ পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করত ফেডারেশন কাপ ফুটবলের গত বছরের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী। মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিপক্ষে লড়াই উতরে যেতে পারলে আকেরটি ধাপে খেলতে হতো, গ্রুপ পর্বে চেয়ার পেত আবাহনী, যেখানে বসুন্ধরা কিংস আগেই চেয়ার নিয়ে বসে গেছে। আবাহনী পারেনি। প্রথম ধাপই অতিক্রম করতে পারেনি। পারফরম্যান্স এতই বাজে হয়েছে যা দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে লড়াই করা কঠিনই নয়, অসম্ভব। যে দলটির খেলোয়াড়দের মধ্যে জেদ দেখেন না অসম্ভবকে সম্ভব করার আগ্রহ দেখেন না, সেই দল নিয়ে আন্তর্জাতিক লড়াই নামের ফুটবল যুদ্ধে যাওয়া কঠিন। আবাহনীর পর্তুগিজ কোচ মারিও লেমসের কণ্ঠে এমন হাপিত্যেশের কথা একাধিক বার শুনেছে সংবাদমাধ্যম। লেমসের আক্ষেপ শুধু নিজের দলের খেলোয়াড়দের নিয়েই নয় এই আক্ষেপ ছিল বাংলাদেশের ফুটবলারদের নিয়ে। সবার মধ্যেই একই চিত্র দেখেছেন তিনি।
এএফসি কাপে মাজিয়ার বিপক্ষে আবাহনীর প্রাপ্তি শূন্য। কথাটা ভালো লাগেনি কোচ মারিও লেমসের। বলছিলেন ‘আমরা ড্র করেছি মাজিয়ার বিপক্ষে এটাতো আগে কখনো হয়নি। দুই বার খেলে দুই বার হেরেছিল আবাহনী যদিও আমি তখন ছিলাম না।’ গত ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় হোম ম্যাচে ২-২ গোলে ড্র এবং ১২ ফেব্রুয়ারি মালেতে ফিরতি ম্যাচে গোলশূন্য ড্র করে আবাহনীর বিদায় হয়ে যায়। মালদ্বীপ হতে শুক্রবার দুপুর ৩টায় ঢাকায় ফিরেছে আবাহনী। ঢাকায় এসেই অনুশীলনে নেমেছে। হালকা অনুশীলন করলেও গতকাল বিকালে পুরো অনুশীলন হয়েছে। এএফসি কাপ ভুলে গিয়ে প্রিমিয়ার লিগ নিয়ে পরিকল্পনা করছে আবাহনী। আজ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে পুলিশের বিপক্ষে আবাহনীর প্রথম ম্যাচ, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায়।