রাহির আক্ষেপ, রাহির সেরা

সাম্প্রতিক সময়ে নিঃসন্দেহে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পেস আক্রমণের ভরসার নাম আবু জায়েদ রাহি। গতকাল তিনি প্রথমবারের মতো সাদা পোশাকের এই ফরম্যাটে পাঁচ উইকেট পাওয়ার দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছিলেন। মিরপুরে প্রথম দিন দুই উইকেট পাওয়ার পর গতকাল দ্বিতীয় দিনেও প্রথম দুটি উইকেট যায় তার ঝুলিতে। শেষ অবধি পাঁচ উইকেটের মাইলফলকে পা রাখতে না পারলেও এবার ৭১ রান হজম করে পাওয়া চার উইকেটই রাহির ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং ফিগার। পেসারদের মধ্যে টেস্টে সর্বশেষ এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট পান রবিউল ইসলাম, ২০১৩ সালের এপ্রিলে। হারারেতে প্রতিপক্ষ ছিল স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। অন্যদিকে দেশের মাটিতে সর্বশেষ কোনো পেসারের পাঁচ উইকেট পাওয়ার নজির খুঁজতে চলে যেতে হবে ১০ বছর পেছনে। সেবার চট্টগ্রামে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেন শাহাদাত হোসেন।

সাত ইনিংস

পর

গেল সেপ্টেম্বরের কথা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে চট্টগ্রাম টেস্টে সর্বশেষ হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন মুমিনুল হক সৌরভ। এরপর কেটে গেছে আরো সাত ইনিংস। বাংলাদেশ ক্রিকেটে অনেক পালাবদল হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার কারণে সাকিব আল হাসান না থাকায় অধিনায়কত্ব পেয়েছেন মুমিনুল। তার নেতৃত্ব ভারতে দুই টেস্ট খেলে এসেছে, কলকাতার ইডেন গার্ডেনে খেলেছে ঐতিহাসিক দিবারাত্রির টেস্ট। এরপর বাংলাদেশ দল অনেক জল ঘোলার পর পাকিস্তানে গিয়েও টেস্ট খেলে এসেছে। কিন্তু, কোনো ভাবেই হাফ সেঞ্চুরির দেখা পাচ্ছিলেন না মুমিনুল। তবে, সেই অচলায়তন ভাঙলো গতকাল, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। মুমিনুল পেয়ে গেলেন টেস্ট ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফ সেঞ্চুরি। দিনের খেলা শেষ হওয়ার আগে তিনি অপরাজিত থাকেন ৭৯ রানে। ইনিংসটার গুরুত্ব মুমিনুলের কাছে নি:সন্দেহে আলাদা। কারণ, এবারই প্রথম অধিনায়ক হিসেবে ব্যাটে রান পেলেন তিনি।