৩২ বছর আগের দুর্নীতি মামলা দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ

স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হলো ১৯ বছর পর

ইত্তেফাক রিপোর্ট

তিন দশকের বেশি সময় আগে দায়েরকৃত দুর্নীতির মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলার বিচার কার্যক্রমের ওপর ১৯ বছর আগে দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। রুল খারিজের রায়ে আদালত বলেছেন, নিম্ন আদালতকে দুই মাসের মধ্যে মামলাটি নিষ্পত্তি করতে হবে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দিন মানিক, দুদকের পক্ষে মো. আসিফ হাসান ও আসামি পক্ষে মো. আসাদুজ্জামান শুনানি করেন।

মামলার নথি পর্যালোচনায় দেখা যায়, সরকারের খাস খতিয়ানভুক্ত সম্পত্তিকে ধানি জমি দেখিয়ে ক্ষতিপূরণ প্রাক্কলন তৈরি করে আসামিরা বিভিন্নজনের নামে জাল রেকর্ড তৈরি এবং জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ প্রায় ১৩ লাখ ৬২ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাত্ করেন। এ ঘটনায় তত্কালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো ১৯৮৮ সালের ১৪ নভেম্বর ছয় জনকে আসামি করে যশোর কোতোয়ালি থানায় মামলা করে। পরে একজন আসামি জীবননগর ডিগ্রি কলেজের সিনিয়র সহকারী অধ্যাপক মো. নিজামউদ্দিন সরদার সাক্ষীকে জেরা করতে না পারার কারণ দেখিয়ে ২০০১ সালের ৩০ জানুয়ারি বিচারিক আদালতে আবেদন করেন। সেই আবেদন না-মঞ্জুরের পর হাইকোর্টে রিভিশন করেন তিনি। ঐ বছরের ১২ নভেম্বর মামলাটির কার্যক্রমের ওপর তিন মাসের স্থগিতাদেশ দেয় হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রুল জারি করে। গতকাল শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট রুল খারিজ করে স্থগিতাদেশ তুলে নেয়। এর ফলে নিম্ন আদালতে মামলার বিচার কাজ শুরু হতে আর কোনো আইনগত বাধা থাকল না বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিনউদ্দিন মানিক।