ঢাকা-১০, বাগেরহাট-৪ এবং গাইবান্ধা-৩—এই তিন আসনে উপনির্বাচনে যাছাই-বাছাইয়ে ১৪ প্রার্থীর মধ্যে ১১ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসাররা। এরমধ্যে বাগেরহাট-৪ আসনে তিন জনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ছাড়া বিএনপি ও জাতীয় পার্টি-জাপা প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। ফলে এ আসনে এখন শুধু এক জন বৈধ প্রার্থী। গাইবান্ধায় এক জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। তবে ঢাকায় ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। গতকাল রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা জি এম শাহাতাব উদ্দিন যে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন তারা হলেন—আওয়ামী লীগের মো. শফিউল ইসলাম, বিএনপির শেখ রবিউল আলম, জাতীয় পার্টি-জাপার হাজি মো. শাহজাহান, কংগ্রেসের মিজানুর রহমান চৌধুরী, মুসলিম লীগের নবাব খাজা আলী হাসান আসকারী ও প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক দলের (পিডিপি) আব্দুর রহিম। ঢাকা দক্ষিণ সিটি নির্বাচনে ব্যরিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা-১০ আসন থেকে পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়।
মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) সংবাদদাতা জানান, বাগেরহাট-৪ আসনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট আমিরুল আলম মিলনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বিএনপির কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও জাতীয় পার্টি-জাপার প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। গতকাল খুলনা বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তা এবং রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইউনুস আলী এ সিদ্ধান্ত দেন। ঋণখেলাপি হওয়ায় জাপার প্রার্থী সাজন কুমার মিস্ত্রী ও সময়মতো পৌর কর পরিশোধে ব্যর্থতা ও খেলাপি ঋণ থাকায় বিএনপি প্রার্থী শিপনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
গাইবান্ধা প্রতিনিধি জানান, গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনে এক জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। তিনি হলেন যুব সংহতির কেন্দ্রীয় নেতা মো. মঞ্জুরুল হক সাচ্ছা। বৈধ প্রার্থীরা হলেন—আওয়ামী লীগের প্রার্থী কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলছুম স্মৃতি, জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. মইনুল হাসান সাদিক, জাতীয় পার্টি-জাপার মইনুর রাব্বী চৌধুরী।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত তপশিল অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ২৯ ফেব্রুয়ারি, প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে আগামী ১ মার্চ এবং ভোটগ্রহণ হবে ২১ মার্চ।