এক তরুণীকে নিয়ে বিরোধের জের ধরে রাজধানীর হাতিরঝিলের বেগুনবাড়ী ব্রিজ এলাকায় ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় কিশোর শিপন হাসানকে। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে নিহত শিপনের পূর্বপরিচিত মোহাম্মদ সুজন, আফিফ ও আজাদ নামে তিনজনকে খুঁজছে পুলিশ। তারা সবাই মগবাজার এলাকার বিভিন্ন মোটর গ্যারেজের শ্রমিক বলে জানা গেছে।
হাতিরঝিল থানার ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, তুচ্ছ কারণে এই হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে তথ্য পেয়ে তা যাচাই-বাছাই চলছে। স্থানীয় একটি বস্তির বাসিন্দা এক তরুণীকে কেন্দ্র করে শিপন হাসানের সঙ্গে স্থানীয় তিন গ্যারেজশ্রমিকের বিরোধ চলছিল। হয়তো তারা সবাই মেয়েটিকে পছন্দ করত। এর জের ধরেই ঐ তিন জন শিপনকে হত্যা করে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। সন্দেহভাজনদের ধরতে পারলে বিস্তারিত জানা যাবে। তদন্তসংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র জানায়, এই তরুণীকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে আগেও কয়েকবার ঝগড়াবিবাদ হয়েছিল। এরপর শিপন হাসানকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।
পুলিশ জানায়, গত রবিবার রাত সাড়ে ৮টায় হাতিরঝিলের বেগুনবাড়ী এলাকায় মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় শিপন হাসানকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায় তিন জন। আহত অবস্থায় রাত পৌনে ১১টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১২টার দিকে দায়িত্বরত চিকিত্সক শিপন হাসানকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় নিহত শিপনের সঙ্গে থাকা তার বন্ধু মানিক আহত হয়। তবে তার অবস্থা এখন কিছুটা ভালো।
নিহত শিপন নিলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলার সাইদুল ইসলামের ছেলে। রমনা মধুবাগ এলাকায় থাকত সে। কাজ করত হাজিপাড়ার একটি মোটর মেকানিকের দোকানে।