সেনাবাহিনী নিয়ে উচ্ছ্বসিত হওয়ার কিছু নেই: আওয়ামী লীগ

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের ফলে কারোর উচ্ছ্বসিত হবার কারণ নেই বলে মন্তব্য করেছে আওয়ামী লীগ। একই সাথে সেনাবাহিনীকে নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে দলটি। গতকাল সোমবার নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের প্রধান ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য আক্তারুজ্জামান এসব কথা বলেন।

সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে বিএনপি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বিবৃতির প্রসঙ্গ টেনে আক্তারুজ্জামান বলেন, বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে আমাদের দেশপ্রেমিক, পেশাদার, সুশৃঙ্খল ও সশস্ত্র সেনাবাহিনীকে নিয়ে যে বিবৃতি দেয়া হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তারা কোনও দলের বা পক্ষের নয়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে পেশাদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সেনাবাহিনীর একটি সর্বজনীন মর্যাদা রয়েছে। এই বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ বা বিতর্কিত করতে পারে এমন কোনও বক্তব্য বা বিবৃতি থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। সেনা মোতায়েনের ফলে নির্বাচনের পরিবেশ কেমন হবে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আক্তারুজ্জামান বলেন, পরিবেশ নিশ্চয়ই আগের থেকে ভালো হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবের সঙ্গে সাক্ষাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগ ও মহাজোটের নেতাকর্মীদের ওপর বিএনপি-জামায়াত হামলা করছে বলে অভিযোগ জানায় আওয়ামী লীগ। নিজেরা হামলা-সহিংসতা করে উল্টো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বিষোদগার করছে বলেও মন্তব্য করেন আক্তারুজ্জামান। বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করছে বলে সাক্ষাতে ইসি সচিবকে জানায় আওয়ামী লীগ।

আক্তারুজ্জামান বলেন, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিএনপির প্রার্থী মওদুদ আহমদ নিজের কর্মীদের দিয়েই হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়ে শান্তিপূর্ণ এলাকাকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।