আমের মুকুলের গন্ধে মৌ মৌ করছে চারিদিক। কাহারোল উপজেলার আম বাগানগুলো ভরে গেছে মুকুলে। বসন্ত আসতেই বাতাসে মুকুলের মন মাতানো গন্ধে ভরে উঠেছে প্রকৃতি। স্থানীয় দশ মাইলের আম ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে থেকে বাগানে আম গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। মুকুল আসার পর থেকেই গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছি। মুকুলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বালাইনাশক স্প্রে করছেন। বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে রয়েছে। এ অবস্থা থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছেন তিনি।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি কর্মকর্তা আবু জাফর মো. সাদেক বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় ষাট শতাংশ আম গাছে মুকুল এসেছে। অল্প কয়েক দিনের মধ্যে শতভাগ মুকুল আসবে বলে আশা করছেন তিনি।
ঘোড়াঘাট (দিনাজপুুর) সংবাদদাতা জানান, ঘোড়াঘাটে আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণে মৌ মৌ করছে প্রকৃতি। শীতের প্রকোপ কিছুটা কম থাকায় বেশ আগে থেকেই মুকুল শোভা পাচ্ছে উপজেলার আম গাছগুলোতে। বলগাড়ি গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল হক জানান, একটি পুকুরের চারিদিকে ১০০ বিঘা জমিতে তার আম বাগান। বাগানে তার প্রায় ২০ হাজার আম্রপালি আমের গাছ রয়েছে। প্রথম বছর তেমন সুফল না পেলেও গত দুই বছর যাবত্ ব্যাপক সুফল পাচ্ছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এখলাছ হোসেন সরকার জানান, এ বছর আবহাওয়া অনুকূল থাকায় আমের উত্পাদন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।