সৈয়দপুরে বেড়েই চলেছে উচ্চৈঃশব্দে মাইক ব্যবহারের প্রবণতা। মাইক ব্যবহারের ফলে শব্দ দূষণে অতিষ্ঠ শহরবাসী। পাশাপাশি উচ্চ আওয়াজের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে।
কোনো ধরনের নিয়ন্ত্রণ নেই মাইকের ব্যবহারে। এমন কী বহু সংখ্যক মাইক টাঙিয়ে প্রচার চালানো হয় অনুষ্ঠানস্থল ছাড়াও জনাকীর্ণ বাজার বা আবাসিক এলাকায়। এসব মাইকের শব্দে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা জানান, শব্দ দূষণের কারণে তাদের পড়াশোনায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। তারা উচ্চৈঃশব্দে মাইক ব্যবহার বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক সহকারী পরিচালক ও ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ডিপিএম) বিশিষ্ট চিকিত্সক ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, শব্দ দূষণের কারণে মানুষের শ্রবণশক্তি কমে যায়। হূদেরাগীদের ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দেয় উচ্চমাত্রার শব্দ। শব্দ দূষণ অনেক সময় মানুষের মস্তিষ্কে আঘাত হানে, যা থেকে ব্রেন হ্যামারেজের শিকার হতে পারেন যে কেউ।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাসিম আহমেদ বলেন, উচ্চ আওয়াজে মাইক ব্যবহার করে শব্দ দূষণ করা মারাত্মক অপরাধ। এ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সভায় আলোচনা হয়েছে। পৌরসভাকে এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হবে, প্রয়োজনে উপজেলা প্রশাসন পৌরসভাকে সার্বিক সহযোগিতা করবে। সৈয়দপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. জিয়াউল হক জিয়া শব্দ দূষণের মাত্রা বৃদ্ধির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পৌর পরিষদের পরবর্তী সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।