আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য, কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ নাসিম এমপি বলেছেন, নারী-শিশু নির্যাতনকারী অশুভ শক্তি নিশ্চিহ্ন করাই হবে মুজিববর্ষের অঙ্গীকার। আগামীকাল রবিবার বিকাল ৩টায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ‘শিখা চিরন্তন’ প্রাঙ্গণে ১৪ দলের উদ্যোগে আয়োজিত নারী ও শিশু নির্যাতনবিরোধী সমাবেশে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, বুদ্ধিজীবী, কবি, সাহিত্যিকসহ সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল শুক্রবার বিকালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আগামীকালের সমাবেশ সফল করতে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এই বর্ধিত সভার আয়োজন করে। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, পৃথিবীর কোনো দেশে সামাজিক আন্দোলন সফল করা রাষ্ট্র বা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে সবার এগিয়ে আসতে হয়। তাই ১৪ দলের উদ্যোগে কাল সমাবেশের মাধ্যমে যে সামাজিক আন্দোলন শুরু হবে, সেখানে সব শ্রেণিপেশার মানুষকে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। মোহাম্মদ নাসিম বলেন, জাতির পিতার কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাঙালি জাতি গৌরব-আনন্দের সঙ্গে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী পালনের সুযোগ পেয়েছে। তাই আমাদের শপথ নিতে হবে জঙ্গি নির্মূল ও দানবীয় শক্তি পরাস্ত করার।
মোহাম্মদ নাসিম বলেন, বিএনপি-জামায়াত সৃষ্ট অন্ধকারের দেশ বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বে এখন আলোকিত। সর্বক্ষেত্রে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহাম্মদ মন্নাফির সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, মহানগর দক্ষিণের সাবেক নেতা মোর্শেদ কামাল, হেদায়েতুল ইসলাম স্বপনসহ মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
শিক্ষার্থীদের মাদক-সন্ত্রাস থেকে
দূরে রাখতে হবে
এদিকে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম গতকাল ভিকারুননিসা নূন স্কুল ও কলেজের ধানমন্ডি শাখার ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাদক-সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে হবে। এ ক্ষেত্রে শিক্ষক ও অভিভাবকদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। কারণ তরুণ সমাজ যদি কোনো কারণে পথভ্রষ্ট হয়, তাহলে দেশ, সমাজ ও পরিবারের জন্য ক্ষতি।