ফরিদপুর-২ আসনে এবার মূল লড়াই হবে নবীন ও প্রবীণ দুই নারী নেত্রীর মধ্যে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সংসদ উপনেতা ৮২ বছর বয়সী প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর সঙ্গে লড়ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তরুণ নেত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু। এছাড়া এ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ প্রার্থী কেএম ছরোয়ার হোসেন হাত পাখা প্রতীক ও বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের প্রার্থী অ্যাড. জয়নাল আবেদীন বকুল মিয়া বটগাছ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন।
ফরিদপুর-২ (নগরকান্দা, সালথা উপজেলা ও সদরপুরের কৃঞ্চপুর ইউনিয়ন) নিয়ে এ আসন গঠিত। এ আসনে ২ লাখ ৮৬ হাজার ৯৯৩ জন ভোটার ১২৩ টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। নির্বাচনী আসন জুড়ে চলছে ভোটের ইমেজ। জোরেশোরে চলছে প্রার্থীদের প্রচারণা। উঠান বৈঠক, পথসভা, ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে প্রার্থী ও তার সমর্থকরা চালাচ্ছে নিজ নিজ প্রচারণা। ভোটারেরাও বাজারে চায়ের দোকানে, রাস্তায়, মাঠে সর্বক্ষেত্রে চুলচেরা বিশ্লেষণ করে চলেছেন।
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী অসুস্থ থাকার কারণে মাঠে না থাকলেও আওয়ামী লীগের উন্নয়নের বার্তা নিয়ে তৃর্ণমূল নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তার রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও কনিষ্ঠ পুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরী। অন্যদিকে বিএনপির সাবেক মহাসচিব, সাবেক মন্ত্রী প্রায়ত কেএম ওবায়দুর রহমানের কন্যা কেন্দ্রীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু পিতার আদর্শ নিয়ে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তির লক্ষে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। তবে শামা ওবায়েদ অভিযোগ করেছেন, তাদের প্রচারে বিভিন্ন ভাবে বাধা, সমর্থকদের ভয়ভীতি দেখানোসহ হয়রানী করছে।
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেছেন, তার কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলা, মিথ্যা মামলা ও গণগ্রেফতার করছে। ভোটারেরা অনেকেই বলেছেন প্রবীণ নেত্রী সাজেদা চৌধুরী এলাকায় অনেক উন্নয়ন করেছেন তা ছাড়া তার শেষ বয়সে তাকেই বিজয়ী দেখতে চাই। অনেকেই আবার জানিয়েছেন প্রায়ত কেএম ওবায়দুর রহমানও এলাকায় উন্নয়ন করেছেন, এলাকার অনেক বেকার যুবকদের চাকরি দিয়েছেন তার কন্যা শামা ওবায়েদ তরুণ নেত্রী। বাবার আদর্শ তার মধ্যে দেখা যায় তাই তাকেই বিজয়ী করতে চায়। তবে মূল হিসাব রয়েছে নবীণ ভোটারদের মধ্যে। নবীণ ভোটাদের দাবি যাকে দিয়ে কর্মসংস্থান হবে এবং যুব সমাজ থেকে মাদক দূর করবে আমরা তকে বিজয়ী করবো।
আরও পড়ুন: শিশুর কান্না থামাবে নতুন জাপানি প্রযুক্তি
ইত্তেফাক/এমআই