রাজশাহীর তানোরে আওয়ামী লীগ-বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া, সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে পাঁচজনসহ দুইজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ৪৪ জন বিএনপির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে তানোর থানায় মামলা করা হয়েছে।
সোমবার সন্ধ্যায় তানোর পৌর এলাকার চাপড়া বাজারে নির্বাচনী পোষ্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ-বিএনপি সংঘর্ষ ও রাতে উপজেলার রায়তন আকচা গ্রামে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিস এবং এক কর্মীর খড়ের পালায় অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এইসব ঘটনায় বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে পুলিশ দাবি করেছে, পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহত জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল রানা ও আওয়ামী লীগ কর্মী আব্দুর জব্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ নিয়ে তানোর পৌর যুবলীগের সভাপতি রাজিব সরকার হিরো বলেন, আমরা উঠান বৈঠক করে চাপড়া বাজারে এসে দেখি বিএনপির নেতাকর্মীরা আমাদের নৌকার পোষ্টার ছিঁড়ছেন। তখন বাধা দিতে গেলে ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাঁধে। এছাড়া রায়তন আকচা গ্রামে আমাদের নির্বাচনী অফিস ও এক আওয়ামী লীগ কর্মীর ১২ বিঘার খড়ের পালাতে আগুন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া সরনজাই ইউনিয়ন জুড়ে পোষ্টার-ব্যানার ছেড়া হচ্ছে।
আরো পড়ুন: ‘হোয়াইট হাউজে আমি বড় একা’, টুইটে ট্রাম্পের আক্ষেপ
পৌর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আয়ান উদ্দীন মণ্ডল বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে আমাদের পোষ্টার ছিঁড়তে শুরু করে। তাতে বাধা দিলে মারামারির ঘটনা ঘটে। উপজেলাব্যাপী আমাদের পোষ্টার, ব্যানার ও নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে। মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদের ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। যাতে আমরা ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা করতে না পারি।
তানোর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম জানান, বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় ৪৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
ইত্তেফাক/জেডএইচ