স্পোর্টস রিপোর্টার, সিলেট থেকে
তিনি জিম্বাবুয়ের নতুন টেস্ট অধিনায়ক। কিন্তু কন্যার জন্মের উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টটা খেলতে পারেননি।
প্রথম ওয়ানডেতেও একাদশে থাকতে পারেননি। ঐ দিনই শন উইলিয়ামস এসেছেন এখানে। গতকাল দেখা হতেই একগাল হেসে জানিয়ে দিলেন, মেয়ে শার্লট খুব ভালো আছে। সেইসঙ্গে হেসে বললেন, মেয়ের ভাগ্য দলের ভাগ্য বদলাবে বলে আশা করছেন।
সেই আশা করার কোনো বিকল্প নেই। কারণ, ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডে জিতছে না তার দল জিম্বাবুয়ে। আজ দলের জয়ের কোনো বিকল্প নেই বলেই বলছিলেন উইলিয়ামস, ‘আমার মনে হয়, আগামীকালকের (আজকের) মূল পরিকল্পনাই থাকবে আমাদের সামনে এগিয়ে যাওয়া। অবশ্যই আমি দলে ফিরছি। আশা করি, আমি দলে কিছু শক্তি যোগ করতে পারব। আশা করি, ক্রেইগ আরভিনও খেলার মতো হয়ে উঠবে। যদিও ওকে রুমে বিছানায়ই দেখে এসেছি। হ্যাঁ, আমরা চাই এখান থেকে বের হয়ে আসতে।’
শন উইলিয়ামস বাংলাদেশি বোলিংয়ের খুব প্রশংসা করছিলেন। কিন্তু এর বিপক্ষেও রান চান তারা, ‘বাংলাদেশি বোলিং আক্রমণ অসাধারণ। কিন্তু এমন নয় যে, এটা আমরা আগে দেখিনি। আমরা আগেও বাংলাদেশের বিপক্ষে জিতেছি। এই সিলেটেই তাদের বিপক্ষে টেস্ট জিতেছি। সর্বশেষ যেবার এসেছিলাম, মিরপুরে আমরা ওয়ানডেতে ভালো লড়াই করেছিলাম। আমি আবারও বলি তারা (বাংলাদেশি বোলাররা) বিশ্বমানের। কিন্তু কিছু জিনিস ঠিকভাবে করতে পারলে আমাদেরও জয়ের সম্ভাবনা থাকবে।’
বাংলাদেশের বিপক্ষে দীর্ঘকাল ধরে না জেতাটাকে মানসিক সমস্যা মানতে রাজি নন উইলিয়ামস। এই অলরাউন্ডার বলছিলেন, ‘আমার মনে হয় না যে, এটা মেন্টাল ব্লক। এটা স্রেফ নিজেদের খেলাটা খেলার ব্যাপার এবং স্কোর বোর্ডে আরো কিছু রান তোলার ব্যাপার। আমার মনে হয়, আমাদের ব্যাটসম্যানরা যাচ্ছে এবং আসছে। আমরা দেখছি অনেকেই ৫০ বা ৬০ রান করছে। কিন্তু আমাদের সেঞ্চুরি করতে হবে।’
উইলিয়ামস মনে করেন, এই সাফল্য পেতে ব্যাটসম্যানদের কিছু টেকনিক্যাল কাজ করা দরকার, ‘আমার মনে হয়, কিছু টেকনিক্যাল দিক ঠিক করা দরকার। আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে গেলে এগুলো করতে হবে। আমাদের ব্যাটসম্যানরা ব্যাকফুটে বেশি আউট হচ্ছে। আমাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে।’