পাকিস্তানি ৮ ব্র্যান্ডের ত্বক ফর্সার ক্রিমে অতিরিক্ত কেমিক্যাল

বাজারে বিভিন্ন ব্যান্ডের নামে শরীরের ত্বক ফর্সার ক্রিম থাকলেও এর বড়ো অংশই মানবস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। সম্প্রতি পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই এ ধরনের ১৩টি ব্র্যান্ডের ক্রিম পরীক্ষা করে আটটিতেই মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকর কেমিক্যালের (মার্কারি বা পারদ ও হাইড্রোকুইনোন) পেয়েছে। এসব ব্র্যান্ডের সবগুলোই পাকিস্তানি পণ্য। বিএসটিআই সূত্র জানিয়েছে, এসব পণ্য দ্রুত বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।

বিএসটিআই সূত্র জানিয়েছে, স্কিন ক্রিমে মার্কারির গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা এক পিপিএম এবং হাইড্রোকুইনোনের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা পাঁচ পিপিএম। মাত্রাতিরিক্ত মার্কারি ও হাইড্রোকুইনোনযুক্ত ক্রিম দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে চর্মরোগসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু পরীক্ষায় এসব পণ্যে পারদের মাত্রা পাওয়া গেছে সর্বোচ্চ ১ হাজার ৯৮০ পিপিএম পর্যন্ত! ফলে এসব পণ্য জনস্বাস্থ্যের জন্য বড়ো ক্ষতির কারণ হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন।

বেশি মাত্রার কেমিক্যালযুক্ত পণ্য হলো গৌরী কসমেটিকস লিমিটেডের গৌরী ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিম, এসজে এন্টারপ্রাইজের চাঁদনী ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিম, কিউসি ইন্টারন্যাশনালের নিউ ফেস ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিম, ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ডিউ ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিম, গোল্ডেন পার্ল কসমেটিকসের গোল্ডেন পার্ল, পুনিয়া ব্রাদার্সের ফাইজা ব্র্যান্ড, নুর গোল্ড কসমেটিকসের নুর ব্র্যান্ড ও হোয়াইট পার্ল কসমেটিকসের হোয়াইট পার্ল প্লাস ব্র্যান্ড। সব পণ্যই পাকিস্তানের। 

এদিকে গতকাল বিএসটিআইর এক বিজ্ঞপ্তিতে বিএসটিআইর অনুমোদনহীন (লোগোবিহীন) এসব পণ্য ক্রয় না করতে ক্রেতাদের অনুরোধ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।