বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার কৃষকরা চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে বেঁধে দেওয়া দামে খেতে সেচ পাচ্ছেন না। সেচ ব্যবস্থাপনা কমিটি কর্তৃক নির্ধারিত সেচমূল্যের চেয়ে বিঘাপ্রতি এক থেকে দেড় শ টাকা পর্যন্ত বেশি দিতে হচ্ছে। কৃত্রিম সেচনির্ভর ইরি আবাদ। গত ২৮ জানুয়ারি উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে সংশিষ্ট কর্মকর্তাদের বৈঠকে ২০১৯ সালের ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবস্থা বিধিমালা অনুসারে চলতি ইরি মৌসুমে সেচমূল্য নির্ধারণ করা হয়। গভীর ও অগভীর নলকূপ মালিকগণ তাঁদের স্কিমে বিঘাপ্রতি সর্বোচ্চ ৮১২ টাকা নিতে পারবেন। কেউ অতিরিক্ত সেচমূল্য নিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু সেচপাম্প মালিকগণ প্রশাসনের এ সিদ্ধান্ত আমলে নেননি। তাঁরা মৌসুমের শুরুতেই কৃষকদের সঙ্গে বিঘাপ্রতি ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা চুক্তিতে জমিতে পানি সারবরাহ দেন। উপজেলা সেচ ব্যবস্থা কমিটির বেঁধে দেওয়া সেচমূল্য কার্যকরের জন্য এলাকায় প্রশাসন কর্তৃক মাইকিং করা জরুরি। এতে কৃষক ও পাম্প মালিকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়বে। ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ ও একটি পৌর এলাকা মিলে চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে ইরি ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। ইরিখেতে নির্ধারিত সেচমূল্য কার্যকরের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।
সাকলাইন লেনিন, আদমদীঘি, বগুড়া