মাঠে জলাবদ্ধতা শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি

শহিদ শরিফুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) সংবাদদাতা

দূর থেকে দেখলে মনে হয় ছোটোখাটো একটি পুকুর। আসলে এটি কোনো পুকুর বা ডোবা নয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ। যে মাঠে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা করার কথা সেখানে বছরের পর বছর ধরে খেলা করে হাঁসের দল। এ অবস্থা নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের শহিদ শরিফুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের।

প্রধান শিক্ষক শওকত আলী বলেন, ১৯৮৫ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৩ সালে সরকারি অর্থায়নে তিন কক্ষবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ করা হয়। সেই সময় বিদ্যালয় মাঠের দক্ষিণ পাশ থেকে মাটি এনে ভবনটির কক্ষগুলো ভরাট করা হয়। পরে ২০১০ সালে আরো একটি তিন কক্ষবিশিষ্ট ভবন নির্মাণ হলেও পুকুরটি ভরাট করা হয়নি। ফলে দক্ষিণ দিকের ভবনটি দেবে গেছে। বর্তমানে ঐ ভবনটির শুধু একটি কক্ষে আতঙ্কে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হয়। সহকারী শিক্ষক সুলতানা পারভিন বলেন, মাঠের চারিদিক উঁচু হওয়ার কারণে বর্ষার সময় সব পানি এসে গোটা বিদ্যালয়ের মাঠটি পরিপূর্ণ হয়ে যায়। মাঠে সারাক্ষণ পানি জমে থাকায় কেঁচো সাপসহ বিভিন্ন পোকামাকড় শ্রেণিকক্ষে ঢুকে পড়ে। অভিভাবক আমজাদ হোসেন, আনছার আলীসহ অনেকে বলেন, বিদ্যালয়টির পুকুর ভরাট না হওয়ায় সব সময় আতঙ্কে থাকতে হয়, কখন কোন শিক্ষার্থী পুকুরে পড়ে প্রাণ হারায়। 

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শরিফা আক্তার বলেন, বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য যে পরিমাণ বরাদ্দ আসে তা দিয়ে মাঠটি ভরাট করা সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের সঙ্গে কথা বলে এডিপি থেকে বরাদ্দ নিয়ে মাঠ ভরাট করা হবে।