আবু সাইয়ীদের ব্যতিক্রমী উদ্ভাবন প্রদর্শনী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ব্যতিক্রমী পাঁচটি উদ্ভাবনী বিষয় নিয়ে ছয় দিনব্যাপী শুরু হয়েছে আবু সাইয়ীদের ‘উদ্ভাবন প্রদর্শনী’। যার শ্লোগান হচ্ছে—‘সবুজের জন্য টেকসই উদ্ভাবন’। আবু সাইয়ীদ একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা ও লেখক হলেও তিনি দেশের বিভিন্ন প্রেক্ষাপট ও সমস্যা চিন্তা করে ‘চলন্ত সড়ক’, থ্রি ডাইমেনশনাল ক্লিন পাওয়ার’, ‘নেটওয়ার্কড র্যাপিড ট্রান্সিট’, ‘ন্যাচার অ্যান্ড হিউম্যান ফ্রেন্ডলি আর্কিটেকচার’ উদ্ভাবনের মডেল তৈরি করেছেন। যা দেশে নির্মিত হলে দেশের বড়ো সমস্যা যানজট, সড়ক দুর্ঘটনা, কার্বণ নিঃসারণে জলবায়ুর যে ক্ষতি হচ্ছে তা নিরসন হবে বলে তিনি আশাবাদী। গতকাল জাতীয় গ্রন্থাগার প্রাঙ্গণে এই ব্যতিক্রমী উদ্ভাবনীর উদ্বোধন হয়। জানা যায়, ‘চলন্ত সড়ক’র আইডিয়াটি সরকার পাইলট প্রকল্প হিসেবে গুলশান পার্কে সাড়ে ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি করবে। ছয় দিনব্যাপী প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১১ থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে। প্রদর্শনী চলবে ৮ মার্চ পর্যন্ত।

আবু সাইয়ীদ বলেন, আমাদের দেশে যে পরিমাণ সড়ক দুর্ঘটনা হয় তা রোধ করা না গেলে এসডিজি বাস্তবায়ন করা যাবে না। তাই যানজট ও দুর্ঘটনা এড়াতে, আমাদের যে সড়ক আছে তার ওপর দিয়ে এলিভেটর এক্সপ্রেসের মতো করে একটি সড়ক তৈরি করা হবে। যা ঘুরতে থাকবে। প্রতি ২ মিনিট পর পর ১০ সেকেন্ড করে থামবে। এতে করে সড়কে মানুষের চাপ কমবে। পাশাপাশি দুর্ঘটনা থাকবে না। চলন্ত রাস্তা একটি পরিবেশবান্ধব পরিবহন ধারণা। বিদ্যুত্ তথা জ্বালানি খরচ কমবে। পরিবহন খাতের বার্ষিক সার্বিক ব্যয় কমে আসবে। বাস্তবায়ন খরচ কম এবং সাধারণ কারিগরি দক্ষতায় বাস্তবায়ন সম্ভব। চলন্ত রাস্তা ধারণাটি ঢাকাসহ পৃথিবীর যে কোন শহরেরই বাস্তবায়নযোগ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উদ্ভাবক আবু সাইয়ীদের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক মুখ্য সচিব আবুল কালাম আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শিল্পী রবিউল ইসলাম, আহমেদ মাজহার প্রমুখ।