মালয়েশিয়ায় কালো মেঘ কাটেনি

ড. আবদুল লতিফ মাসুম

অব্যাহত অনিশ্চয়তার পর অবশেষে মালয়েশিয়ার প্রভাবশালী নেতা মহিউদ্দিন ইয়াসিনকে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন দেশটির রাজা সুলতান আবদুল্লাহ আহম্মদ শাহ। ১ মার্চ স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি দেশটির অষ্টম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন। মালয়েশিয়ার সাংবিধানিক রাজা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা ও সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রীদের নামের তালিকা সংগ্রহের পর এই সিদ্ধান্ত নেন। রাজকীয় ঘোষণায় বলা হয়, রাজার আস্থা ও বিশ্বাস জন্মেছে যে মহিউদ্দিন ইয়াসিন পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে আগামী ৯ মার্চ পার্লামেন্টে এই আস্থার প্রমাণ দিতে হবে। এদিকে এই নিয়োগে মালয়েশিয়ার প্রবীণ নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ ক্রুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, এই নিয়োগ অবৈধ ও বিশ্বাসঘাতকতা। ২০১৮ সালের নির্বাচনী ফলাফলের প্রসঙ্গ তুলে মাহাথির বলেছেন, এটা অদ্ভুত ব্যাপার। পরাজিতরা সরকার গঠন করছে আর বিজয়ীরা হচ্ছে বিরোধী দল। তবে তিনি এটা বলেনি যে তারই কূটকৌশলের অপ্রিয় বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছেন তিনি। নির্বাচনি সমঝোতা অনুযায়ী তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার ইব্রাহিমকে দুই বছর পরে ক্ষমতা হস্তান্তরের কথা। প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি আকস্মিকভাবে পদত্যাগ করেন তিনি। ঐ সময় তিনি ক্ষমতাসীন জোট ভেঙে নতুন এক কোয়ালিশন সরকার গঠনের ঘোষণা দেন। নতুন প্রধানমন্ত্রী তারই বিশ্বস্ত লোক। সদ্য ভেঙে দেওয়া মন্ত্রিসভায় তিনি ছিলেন উপপ্রধানমন্ত্রী। মর্যাদাবান সরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। মাহাথিরের দল বারসাতুর বর্তমান প্রেসিডেন্ট তিনি। দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত ও ক্ষমতাচ্যুত নাজিব রাজাকের রাজনৈতিক দল ইউএমএনওর সমর্থনে ক্ষমতাসীন হলেন মহিউদ্দিন ইয়াসিন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ পড়ানোর পর ঐ দলের প্রধান ড. আহমদ জাহিদ হামেদি বলেছেন, মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক আকাশ থেকে কালো মেঘ সরে গেছে। কিন্তু মালয়েশিয়ার রাজনীতি সম্পর্কে অভিজ্ঞজনেরা বলছেন, আকাশে এখনো মেঘের ঘনঘটা। ইতিমধ্যে মাহাথির এক ঘোষণায় জানিয়েছেন, পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠের, অর্থাত্ ২২২ আসনের ১১৪ জনের সমর্থন তার প্রতি রয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার ইব্রাহিম নিজের প্রধানমন্ত্রিত্বের দাবি প্রত্যাহার করে নিঃশর্তভাবে মাহাথিরের প্রতি পুনরায় আস্থা জ্ঞাপন করেছেন। সুতরাং মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার অবসান হওয়া অনিশ্চিত। পার্লামেন্টের আস্থাভোটে নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী টিকে গেলেও অনাগত দিনগুলোতে নিশ্চিত চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে তাকে।

একধরনের কর্তৃত্ববাদী গণতন্ত্রের জন্য খ্যাতি ছিল মালয়েশিয়ার। দীর্ঘকাল ধরে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী জোট ২০১৮ সাল পর্যন্ত ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করছিল। সব অঞ্চল ও মত-পথের এই জোট কার্যত ছিল একটি জাতীয় সরকারের মতো। এই জোটের প্রতিনিধিত্ব করছিলেন অতীতের নামজাদা প্রধানমন্ত্রীগণ—টেংকু আবদুর রহমান, তুন আবদুর রাজ্জাক ও মাহাথির মোহাম্মদ। গোল বাধে নাজিব রাজাকের অতিমাত্রিক কর্তৃত্ব আর দুর্নীতি নিয়ে। স্বেচ্ছায় পদত্যাগকারী সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব মাহাথির মোহাম্মদের উপদেশনা অগ্রাহ্য করেন তিনি। অবশেষে ২০১৮ সালে এই নবতিপর নেতা ঘুরে দাঁড়ান। এ সময় মাহাথির ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাশনাল জোটকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য সব বিরোধী দল চরম দক্ষিণ অথবা চরম বাম সবাইকে নিয়ে এক মহাজোট গঠন করেন। এই জোটের মূল শক্তি হয়ে দাঁড়ান মাহাথিরের একসময়ের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আনোয়ার ইব্রাহিম। গঠিত জোটের লিখিত চুক্তি অনুযায়ী নবগঠিত পাকাতান জোট জয়ী হলে প্রথম দুই বছরের জন্য প্রধানমন্ত্রী হবেন মাহাথির মোহাম্মদ। বাকি বছরগুলোতে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন আনোয়ার ইব্রাহিম। কিন্তু দুই বছর যেতে না যেতেই পাকাতান জোটে ভাঙন ধরল। এই ভাঙন মূলত আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমতায় আসতে না দেওয়ার পরিকল্পনা থেকে। মাহাথির আনোয়ার ইব্রাহিমকে ব্যক্তিগতভাবে ভালো জানেন না। শুধু ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য তিনি আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে যে জোট করেছিলেন তা এখন স্পষ্ট।

এই ভাঙনের পটভূমিতে রয়েছে অতিক্রান্ত দুই বছর সময়ের পর আনোয়ার ইব্রাহিমের ক্ষমতায় যাওয়ার অধীর আগ্রহ। এক বছর পর বিভিন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের কারণে আনোয়ার ইব্রাহিমের এই শঙ্কা জাগে যে অবশেষে মাহাথির প্রতিশ্রুতি রক্ষা না-ও করতে পারেন। মাহাথিরের উলটোপালটা মন্তব্য তার শঙ্কাকে বাড়িয়ে দেয়। এ সময় মাহাথির মোহাম্মদের দল পিকেআরের ডেপুটি প্রেসিডেন্ট আজমান আলী দলের মধ্যে একটি নিজস্ব গ্রুপ সৃষ্টি করে বিভিন্নভাবে আনোয়ারকে বিব্রত করতে থাকেন। তারা লিখিত প্রতিশ্রুতির কথা বিশ্রুত হয়ে মাহাথির মোহাম্মদকে পুরো মেয়াদের জন্য ক্ষমতায় থাকার দাবি জানাতে থাকেন। বিষয়টি আনোয়ারের পক্ষ ক্ষমতাসীন জোটের সর্বোচ্চ মহলে আলোচনা করলে মাহাথিরের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের লক্ষণ স্পষ্ট হয়ে ওঠে। আগামী মে মাসে দুই বছর পূর্ণ হলেও মাহাথির আগামী নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য এপেক সম্মেলনের আগে ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকৃতি জানান। সমঝোতার স্বার্থে আনোয়ার পক্ষ তা মেনে নেয়। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে ক্ষমতা হস্তান্তরের একটি সুনির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণার জন্য মাহাথিরের ওপর চাপ প্রয়োগ করে। তখন মাহাথির পক্ষ ক্ষমতাসীন জোট ত্যাগের হুমকি দেয়। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাসীন জোট নেতারা বিষয়টি মাহাথির মোহাম্মদের সুবিবেচনার জন্য ছেড়ে দেন। এতদ্সত্ত্বেও মাহাথিরের দল বৃহত্তর মালয় জনগোষ্ঠীনির্ভর দলগুলোর সমন্বয়ে আর একটি নতুন জোট গঠনের প্রক্রিয়া শেষ করে। এই জোটের নাম দেওয়া হয় পাকাতান ন্যাশনাল। ক্ষমতাসীন জোট থেকে আরো কয়েকটি দল ও গোষ্ঠী বেরিয়ে যায়। ক্ষমতাসীন জোটের পরাজয়কে নিশ্চিত করার জন্য নতুন জোট ১২৯ জন এমপির সমর্থনপুষ্ট একটি তালিকা রাজার কাছে প্রদান করে। এই জোট যদি ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে কেবল মালয় দলগুলোই দেশটির একক ক্ষমতায় থাকবে। রাজা তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্ত না নিয়ে সময় নেন। মাহাথির নিজ দলের চেয়ারম্যান পদে ইস্তফা দেন। পরে তারা মাহাথিরের পরিবর্তে মহিউদ্দিন ইয়াসিনকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনয়ন দেয়। এই মহিউদ্দিন ইয়াসিনই এখন তার সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়াল। মাহাথিরের পদত্যাগ যেন নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করার মতো। মাহাথির না থাকার ঝুঁকি নিয়ে আনোয়ার ইব্রাহিমের ভবিষ্যত্ অনিশ্চিত করে তুলতে চেয়েছিলেন। আনোয়ার ইব্রাহিম মাহাথিরের এই পদক্ষেপকে বিশ্বাসঘাতকতা বলে আখ্যায়িত করেছেন।

একরকম আকস্মিকভাবেই বিগত ২৪ ফেব্রুয়ারি মাহাথির মোহাম্মদ রাজার কাছে তার পদত্যাগপত্র পেশ করেন। এর আগে মাহাথির ক্ষমতাসীন জোট পাকাতান হারাপান থেকে নিজের দল পিপিবিএমকে প্রত্যাহার করে নেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, আনোয়ার ইব্রাহিম বিরোধী সব দল ও গ্রুপকে নিয়ে নতুন করে প্রধানমন্ত্রিত্ব আগলে রাখার পরিকল্পনা আঁটছেন মাহাথির। সে লক্ষ্যে অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও গ্রুপ নিয়ে নতুন সরকার গঠনের শলা-পরামর্শ চলছিল। মাহাথিরের জন্য তা সুবিধাজনক হয়েছে এই কারণে যে, রাজা তাকেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করেছিলেন। তবে গঠন, পুনর্গঠন ও প্রথাগত হর্সট্রেডিং বা অর্থ স্বার্থের বিনিময়ে দলে ভেড়ানো লোকদের অনতিবিলম্বে নতুন সরকার গঠনের যে পরিকল্পনা মাহাথির করেছিলেন তা বড়ো একটি ধমক খেয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের নির্ধারিত পার্লামেন্টের অধিবেশন ডাকতে অস্বীকার করেছেন দেশটির রাজা আল সুলতান আবদুল্লাহ রিয়াতউদ্দিন আল মোস্তফা। রাজপ্রাসাদ থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি এক ঘোষণায় বলা হয়—পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী নির্ধারণে ২ মার্চ পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশন বসবে না। ফলে রাজনীতির কূট আবর্ত আরো জটিল হয়েছে। সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে পার্লামেন্টের অধিবেশন ডাকবেন রাজা। কিন্তু রাজা যৌক্তিক কারণে তা প্রত্যাখ্যান করতে পারেন। রাজা বৃটেনের রাজা বা রানির মতো একেবারেই অলংকারিক বা আনুষ্ঠানিক নন। মাহাথিরের অনুরোধ প্রত্যাখ্যানের মধ্য দিয়ে রাজা তার বিবেকপ্রসূত সিদ্ধান্ত জ্ঞাপন করলেন।

দৃশ্যত এ রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও কার্যক্রমের মূল উত্স হচ্ছেন— দুই শক্তিধর নেতা। আনোয়ার ইব্রাহিম ছাত্রজীবন থেকেই মালয়েশিয়ার পরিচিত ব্যক্তিত্বে পরিণত হন। তার সংগঠিত ইসলামী যুব আন্দোলন-‘আংকাতান বালয়ে ইসলামিয়া মালয়েশিয়া’—আবিম, জনপ্রিয় সংগঠনে পরিণত হয়। এ সংগঠনের মাধ্যমেই তার রাজনৈতিক উত্থান ঘটে। নিজ যোগ্যতাবলে উপপ্রধানমন্ত্রী পদ পর্যন্ত পৌঁছান। আশা করা হচ্ছিল, সে সময়েই ইব্রাহিম মাহাথিরের স্থলাভিষিক্ত হবেন। কিন্তু মাহাথির উলটো তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সমকামিতার অভিযোগ এনে তাকে জেলে পাঠান। তখন মাহাথির-বিরোধী পাশ্চাত্য ইব্রাহিমের প্রতি সমর্থন জানায়। দীর্ঘকাল কারাভোগ ও সকল মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে রাজনীতিতে ফিরে আসেন তিনি। তার স্ত্রী তার অনুপস্থিতিতে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যান এবং পার্লামেন্টে নির্বাচিত হন। তার স্ত্রী ডা. ওয়ান আজিজা এই সেদিন মাহাথির সরকারের উপপ্রধানমন্ত্রী ছিলেন। মাহাথির এবং ইব্রাহিমের মধ্যে ব্যক্তিগত বিরোধ যেমন রয়েছে তেমনি রয়েছে সমর্থনের ভিত্তিগত ব্যবধান। মাহাথির মালয় জনগণের সমর্থনপুষ্ট। দেশটির ৬০ শতাংশের বেশি হলো মালয় তথা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর। এদের প্রায় সকলেই মুসলমান। অপরদিকে আনোয়ার ইব্রাহিমের সর্বশেষ সমর্থনের ভিত্তিভূমি অমালয়ী জনগণ। এদের ২৭ শতাংশ চীনা এবং ১০ শতাংশ ভারতীয় বংশোদ্ভূত। মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে স্থানীয় মালয়ীদের কর্তৃত্ব থাকলেও ৭০ শতাংশ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ চীনা ও ভারতীয়দের হাতে। এদের ভিন্ন রাজনৈতিক দল রয়েছে। বর্তমান পার্লামেন্টে তাদের আসন সংখ্যা ৪২। ক্ষমতাচ্যুত জোট সরকারের অন্যতম অংশীদার ছিল এরা। মালয়ীদের ধারণা আনোয়ার ইব্রাহিম প্রধানমন্ত্রী হলে চীনা ও ভারতীয়দের দাপট বেড়ে যাবে। তবে পররাষ্ট্রনীতি নির্ধারণ ক্ষেত্রে মাহাথির ও ইব্রাহিমের মধ্যে ঐক্যসূত্র লক্ষ্য করা যায়। তাদের জোট সৌদি-আমিরাত বলয়ের চেয়ে তুরস্ক-ইরানের সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দেয়। তারা সৌদি প্রতিরক্ষা জোট থেকে মালয়েশিয়াকে প্রত্যাহার করে নেয়। ইসলামি দেশগুলোর সংকট ও সমস্যায় তারা জোরালো ভূমিকা রাখে। রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মাহাথিরের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। আনোয়ার ইব্রাহিম তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোগানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। অপরদিকে একজন সুশাসক হিসেবে মাহাথিরের সুনাম রয়েছে। ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত টানা ২২ বছর মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। সুনামের সঙ্গে সঙ্গে শেষকালে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগও  শোনা যায় তার বিরুদ্ধে। এই মুহূর্তে তার পদত্যাগ এবং রাজনৈতিক কার্যক্রম কূট রাজনীতি বলে আখ্যায়িত হচ্ছে।

n লেখক :অধ্যাপক, সরকার ও রাজনীতি বিভাগ,

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়