ইত্তেফাক রিপোর্ট
শ্রমিকের চোখের সমস্যার কারণে বিশ্বব্যাপী ২০২ বিলিয়ন ডলারের উত্পাদন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশেও বড়ো অঙ্কের উত্পাদন ব্যহত হচ্ছে শ্রমিকের এই সমস্যার কারণে। গতকাল রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে গার্মেন্টস খাতসহ উত্পাদন খাতের শ্রমিকের সুরক্ষা ও উত্পাদনশীলতা বৃদ্ধি বিষয়ক এক সভায় এসব তথ্য উঠে এসেছে। এ সময় বক্তারা বলেন, উত্পাদন খাতের অন্যান্য ইস্যুতে নজর দেওয়া হলেও শ্রমিকের চোখের সমস্যা ও এর ফলে উত্পাদন প্রক্রিয়ায় কী প্রভাব পড়ে— তা নিয়ে খুব বেশি আলোচনা নেই। মূলত শ্রমিক, কারখানা মালিকসহ অন্যান্য পক্ষের সচেতনতার ঘাটতি এর পেছনে দায়ী। প্রয়োজন থাকলেও দেশে দেড় কোটি মানুষের চশমা নেই।
ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) ও ভিশনস্প্রিং যৌথভাবে ঐ সভার আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট সাবের হোসেন চৌধুরী। সভায় ইউএসএআইডির মিশন ডিরেক্টর ডেরিক ব্রাউন, ভিশনস্প্রিংয়ের সিইও এলা গুডউইনসহ ব্র্যান্ড ছাড়াও উন্নয়ন সহযোগী, গার্মেন্ট মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরা তাদের বক্তব্য তুলে ধরেন।
এ সময় জানানো হয়, সিভিডব্লিউ প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভিশনস্প্রিং দেশের ১৮ হাজারের বেশি শ্রমিককে স্বল্পমূল্যে চশমা সরবরাহ করেছে। কর্মক্ষেত্রে এর ইতিবাচক ফলাফলও দেখা গেছে। এ কার্যক্রমে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ইউএসএআইডি।