শরণখোলা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়ক ও বাজারে সোলার বাতি বসানো হয়েছে। সন্ধ্যা হলেই বাতিগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে জ্বলে ওঠে। এসব বাতির কারণে গ্রামের মানুষের জীবনমানের কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়েছে বলে দাবি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের। খোন্তাকাটা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান মহিউদ্দিন বলেন, সোলার লাইট গ্রামের মানুষের জন্য আশীর্বাদ হয়েছে। গ্রামের সড়কে সারা রাত সোলার লাইট জ্বলে থাকায় গ্রামে চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধ কমে এসেছে। ধানসাগর ইউপি চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু বলেন, গ্রামাঞ্চলে সোলার লাইট স্থাপন সরকারের একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা রনজিত্ কুমার সরকার জানান, সরকারের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচি টিআর এবং কাবিটার আওতায় সোলার লাইট লাগানো হয়েছে।