মাটিরাঙ্গায় বিজিবি সদস্য ও গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মাটিরাঙ্গা থানায় মামলা হয়েছে। ঘটনার দুই দিন পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বিজিবির হাবিলদার মো. ইসহাক মিয়া বাদী হয়ে নিহত চার জনসহ ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো ৬০/৭০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন।
মামলায় বেআইনিভাবে সংঘবদ্ধ জনতার অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে বিজিবির সরকারিকাজে বাধা প্রদান, অস্ত্র ছিনতাই, আঘাত, গুরুতর জখম ও বিজিবির সদস্য শাওন খানকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়। মাটিরাঙ্গা থানার ওসি শামসুদ্দিন ভুঁইয়া মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেছেন, এ ঘটনায় গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তিনি জানান, দায়েরকৃত মামলায় বিজিবির গুলিতে নিহত সাহাব মিয়া প্রকাশ মুছা মিয়া, তার দুই ছেলে আকবর আলী ও আহাম্মদ আলীকে আসামি করা হয়েছে। নিহত মফিজ মিয়া ও তার ছেলে হানিফ মিয়া এবং মৃত শহীদ উল্লাহর ছেলে রফিকুল ইসলামকেও আসামি করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে খাগড়াছড়ি সফররত আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, মামলা যেহেতু হয়েছে পুলিশ মামলার তদন্ত করবে। তদন্তকালীন যা পাওয়া যাবে সে অনুযায়ী মামলার নিষ্পত্তি হবে। পুলিশের ওপর আস্থা রাখতে হবে। খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশ কমপ্লেক্সে নবনির্মিত পুলিশ অফিসার্স মেসের উদ্বোধনকালে তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মুজিববর্ষে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘মুজিববর্ষের অঙ্গীকার, পুলিশ হবে জনতার’। এই ঘোষণা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ পুলিশের যা যা করার দরকার আমরা তা-ই করে যাচ্ছি।