টঙ্গী তিস্তারগেট এলাকায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় হোসেন সর্দার ও মিঠু তালুকদার নামে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে পাঁচ জনকে আসামি করে টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা করেন ঐ নেত্রী। মামলার প্রধান আসামি স্থানীয় ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী আলী আসগরসহ তিন জন পলাতক রয়েছেন। ঐ নেত্রীও টঙ্গীর ৪৬ নম্বর ওয়ার্ড যু্ব মহিলা লীগের সভাপতি পদপ্রার্থী বলে জানা গেছে। তবে দলে তার সাংগঠনিক কোনো পদ নেই বলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও মহিলা আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো দাবি করেছে।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করেন, স্থানীয় হকের মোড়ে তিনি একটি ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং তার একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। প্রধান আসামি আলী আসগরের সঙ্গে তার প্রায় ১০ বছর যাবত্ প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান। এর আগেও বিবাহের আশ্বাসে আসগর বন্ধুদের সহযোগিতায় তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। সর্বশেষ গত ৫ ডিসেম্বর রাতে আসগরের ভগ্নিপতি সামরুলের বাসায় নিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। এদিকে বিষয়টিকে এলাকায় রহস্যজনক মনে করছেন অনেকে। কেননা সরকারি দলের কয়েক জন প্রভাবশালী নেতা ও স্থানীয় প্রশাসনে ঐ নেত্রীর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টঙ্গী পূর্ব থানার এসআই আলামিন বলেন, বিষয়টিকে আমরা এখনো ধর্ষণ বলতে পারছি না। তদন্তেই প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
কুমিল্লায় গণধর্ষণের ঘটনার ভিডিও
ধারণে প্রধান আসামির স্বীকারোক্তি
এদিকে কুমিল্লা প্রতিনিধি জানান, কুমিল্লার হোমনা উপজেলার জয়পুর গ্রামে কিশোরীকে গণধর্ষণের সময় মোবাইল ফোনে ভিডিও চিত্র ধারণ করে ধর্ষকরা। মামলার প্রধান আসামি জুয়েল রানাকে গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে র্যাবের কাছে এ জবানবন্দি দিয়েছে। গত বুধবার গভীর রাতে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার আলেখারচর এলাকা থেকে র্যাবের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে। জুয়েল রানা হোমনা উপজেলার জয়পুর গ্রামের জয়নাল আবেদিনের ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়। কিশোরী গণধর্ষণের ঘটনায় ভিকটিমের মা গত ২৯ ফেব্রুয়ারি বাদী হয়ে হোমনা থানায় মামলা দায়ের করেন।