দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলছেন, দুর্নীতির সবচেয়ে বড়ো শিকার হন আমাদের গ্রামের সহজ-সরল মানুষ। তাই তাদের অভিযোগের গুরুত্ব দিয়ে তৃণমূল পর্যায়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আইন-আমলে নিয়ে আসে দুদক। গতকাল দুদকের প্রধান কার্যালয়ে অস্ট্রেলিয়ার একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাত্কালে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদক শুধু শহুরে এলাকার দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে না, বরং তৃণমূল পর্যায়েও কাজ করছে। কখনো কখনো তৃণমূলের দুর্নীতি নিয়ে আমাদের পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। শুধু তাই নয়, কমিশনের অধিকাংশ গণশুনানি বাস্তবায়ন করা হয় তৃণমূল পর্যায়ে। গণশুনানির মাধ্যমে অসংখ্য সমস্যার সমাধান হচ্ছে জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাধারণ মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। জনগণও তাদের অধিকার আদায়ে সচেতন হচ্ছেন। দুর্নীতিবিরোধী সচেতনতা বাড়ছে।
গতকাল দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ে অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর অর্গানাইজেশন অ্যান্ড সোস্যাল ইনফরমেটিকসের পরিচালক গিলিয়ান ওলিভার ও ড. ল্যারি স্টিলম্যানের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করার সময় এসব কথা বলেন।
দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলটির স্বাগত জানিয়ে বলেন, মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় দুদকের একাডেমিক পার্টনার হলে কমিশন প্রযুক্তিগত, গবেষণা, অপরাধবিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরো সৃজনশীল এবং উদ্ভাবনিমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে।